মঠবাড়িয়া ০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২ মঠবাড়ীয়া মোমেনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, অংশ নিলেন সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের চাবি চুরির অভিযোগ :থানায় মামলা

মঠবাড়িয়ার কৃতি কন্যা নাসরিন সুলতানার ডালিয়ার যুক্তরাজ্য থেকে পিএইচডি অর্জন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

মঠবাড়িয়ার কৃতি কন্যা নাসরিন সুলতানা ডালিয়া যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ড (UWS) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তিনি সফলভাবে থিসিসের ভাইভা সম্পন্ন করেন।

নাসরিন সুলতানার জন্ম মঠবাড়িয়ার দক্ষিণ বন্দরে। তার বাবা মরহুম আব্দুল হক মিয়া এবং মা মিসেস ফাতেমা হক। শৈশব থেকেই তিনি মেধাবী ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা নেন মঠবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের IER থেকে মাস্টার্স, যুক্তরাজ্যের UWS থেকে এমএসসি এবং সর্বশেষ পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার গবেষণার বিষয় ছিল—
“Headteachers’ Leadership of School Improvement in Bangladeshi Government Primary Schools: An Ethnographic Study”
(বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্বে বিদ্যালয় উন্নয়ন: একটি নৃবৈজ্ঞানিক গবেষণা)।

গবেষণা যাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে ড. নাসরিন বলেন—
“এটি ছিল দীর্ঘ ও শিক্ষণীয় পথ, যেখানে ছিলো চ্যালেঞ্জ, শেখা ও ব্যক্তিগত বিকাশের অসংখ্য অভিজ্ঞতা। আমি আমার সুপারভাইজার, সহকর্মী, বন্ধু ও পরিবারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই তাদের অমূল্য সহযোগিতার জন্য।”

তার প্রধান সুপারভাইজার ছিলেন ড. ক্যারোল বিগনেল এবং সহ-সুপারভাইজার ড. ইয়োনাহ মাতেম্বা। এছাড়া ড. স্টিফেন ডে অ্যাসেসর এবং ড. কুদসিয়া কালসুম (University of Dundee) ও ড. অ্যান্ড্রু কিলেন (UWS) এক্সামিনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভাইভা পরিচালনা করেন ড. লিসা ম্যাকঅলিফ।

তার এই অর্জনে পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয়রা গর্বিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন—এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ার কৃতি কন্যা নাসরিন সুলতানার ডালিয়ার যুক্তরাজ্য থেকে পিএইচডি অর্জন

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মঠবাড়িয়ার কৃতি কন্যা নাসরিন সুলতানা ডালিয়া যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ড (UWS) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তিনি সফলভাবে থিসিসের ভাইভা সম্পন্ন করেন।

নাসরিন সুলতানার জন্ম মঠবাড়িয়ার দক্ষিণ বন্দরে। তার বাবা মরহুম আব্দুল হক মিয়া এবং মা মিসেস ফাতেমা হক। শৈশব থেকেই তিনি মেধাবী ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা নেন মঠবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের IER থেকে মাস্টার্স, যুক্তরাজ্যের UWS থেকে এমএসসি এবং সর্বশেষ পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার গবেষণার বিষয় ছিল—
“Headteachers’ Leadership of School Improvement in Bangladeshi Government Primary Schools: An Ethnographic Study”
(বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্বে বিদ্যালয় উন্নয়ন: একটি নৃবৈজ্ঞানিক গবেষণা)।

গবেষণা যাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে ড. নাসরিন বলেন—
“এটি ছিল দীর্ঘ ও শিক্ষণীয় পথ, যেখানে ছিলো চ্যালেঞ্জ, শেখা ও ব্যক্তিগত বিকাশের অসংখ্য অভিজ্ঞতা। আমি আমার সুপারভাইজার, সহকর্মী, বন্ধু ও পরিবারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই তাদের অমূল্য সহযোগিতার জন্য।”

তার প্রধান সুপারভাইজার ছিলেন ড. ক্যারোল বিগনেল এবং সহ-সুপারভাইজার ড. ইয়োনাহ মাতেম্বা। এছাড়া ড. স্টিফেন ডে অ্যাসেসর এবং ড. কুদসিয়া কালসুম (University of Dundee) ও ড. অ্যান্ড্রু কিলেন (UWS) এক্সামিনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভাইভা পরিচালনা করেন ড. লিসা ম্যাকঅলিফ।

তার এই অর্জনে পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয়রা গর্বিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন—এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।