মঠবাড়িয়া ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের চাবি চুরির অভিযোগ :থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার অফিস থেকে চাবি চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীর খান বাদী হয়ে বুধবার (২২ জুলাই) মঠবাড়িয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার একমাত্র আসামী এবিএম ফারুক হাসান মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান ঘটনার দিন অফিস চলাকালীন সময়ে তার নিজ প্রয়োজনে ইউএনও অফিসের ওই কক্ষে প্রবেশ করেন।এরপর তিনি সুযোগ বুঝে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওই অফিসের চাবি সহ অন্যান্য সর্বমোট ২৫টি চাবিযুক্ত এবং এর সাথে সরকারি তথ্য সংবলিত পেনড্রাইভ সহ চাবির ছড়াটি চুরি করিয়া নিয়া যায়।খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরায় তাকে চাবি নিতে দেখা যায়। এরপর তাকে ফোন দিলেও চাবি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। একপর্যায়ে ৩/৪ ঘন্টা পর চেয়ারম্যান অফিসে এসে চাবির ছড়াটি ফেরত দেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,বিবাদীর একাধিক গোপনীয় প্রতিবেদন ওই অফিসে সংরক্ষিত আছে। বিবাদী ইতিপূর্বে মৌখিকভাবে ওই প্রতিবেদ চেয়েছিল।কিন্তু না পেয়ে সে এই পথ অবলম্বন করে। অফিসের সরকারী নথিপত্রের বিনষ্ট সাধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ওই গোপনীয় কর্মকর্তার চাকুরি জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে। বিবাদী সরকারি অফিস সহ ইউএনও বাংলোর সকল চাবির নকল কপি তৈরি করতে পারেন বলেও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারী নথিপত্রের ক্ষতিসাধন হলে ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান দায়ী থাকবে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের চাবি চুরির অভিযোগ :থানায় মামলা

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার অফিস থেকে চাবি চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীর খান বাদী হয়ে বুধবার (২২ জুলাই) মঠবাড়িয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার একমাত্র আসামী এবিএম ফারুক হাসান মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান ঘটনার দিন অফিস চলাকালীন সময়ে তার নিজ প্রয়োজনে ইউএনও অফিসের ওই কক্ষে প্রবেশ করেন।এরপর তিনি সুযোগ বুঝে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওই অফিসের চাবি সহ অন্যান্য সর্বমোট ২৫টি চাবিযুক্ত এবং এর সাথে সরকারি তথ্য সংবলিত পেনড্রাইভ সহ চাবির ছড়াটি চুরি করিয়া নিয়া যায়।খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরায় তাকে চাবি নিতে দেখা যায়। এরপর তাকে ফোন দিলেও চাবি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। একপর্যায়ে ৩/৪ ঘন্টা পর চেয়ারম্যান অফিসে এসে চাবির ছড়াটি ফেরত দেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,বিবাদীর একাধিক গোপনীয় প্রতিবেদন ওই অফিসে সংরক্ষিত আছে। বিবাদী ইতিপূর্বে মৌখিকভাবে ওই প্রতিবেদ চেয়েছিল।কিন্তু না পেয়ে সে এই পথ অবলম্বন করে। অফিসের সরকারী নথিপত্রের বিনষ্ট সাধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ওই গোপনীয় কর্মকর্তার চাকুরি জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে। বিবাদী সরকারি অফিস সহ ইউএনও বাংলোর সকল চাবির নকল কপি তৈরি করতে পারেন বলেও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারী নথিপত্রের ক্ষতিসাধন হলে ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান দায়ী থাকবে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।