মঠবাড়িয়া ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাসী মেয়েদের পাঠানো টাকা দিয়ে ছেলেদের নামে জমি কিনলেন বাবা”আদালতে মামলা” মিরুখালী রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে রেইনকোট ও ছাতা বিতরণ প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ

মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী অবহেলায় এডিবি’র ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উন্নয়নের জন্য ২০২২-২৩ অর্থ বছরের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এডিবি’র ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলামের অবহেলায় এ টাকা ফেরত গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম সাধারন মানুষদের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেন।সরকারী দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার ভিন্নমতের ঠিকাদারদের হয়রানি করেন।
জানা গেছে, এডিবি’র ওই টাকা যাতে বাস্তবায়ন না হতে পারে সেজন্য রহস্যজনক কারন দেখিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর একজন শুভাকাঙ্ক্ষী উচ্চ আদালতে রিট করেন। মে মাসের ৮ তারিখের ওই রিট পিটিশনের বাদী রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার। এরপর মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের আপিলের প্রেক্ষিতে চেম্বার জজ পূর্বের আদেশ স্থগিত করেন।এর ফলে এডিবি’র প্রোক্ত টাকা বাস্তবায়নে আর কোন বাধা থাকে না।

এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম আপিল আদেশের পূর্বেই টেন্ডার বাতিল করে দেন।একপর্যায়ে উপজেলা পরিষদের বিশেষ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এবং জিয়ারুল ইসলামের পরামর্শক্রমে আরএফকিউ এবং পিআইসি পদ্ধতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এরপর ঠিকাদারগন সিডিউল ক্রয় করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে যান। প্রকৌশলী নিজের স্বার্থে আরএফকিউ এবং পিআইসি পদ্ধতিতে সিডিউল বিক্রি করেন নি।তিনি সরকার দলীয় ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন।এরপর তার টার্গেটকৃত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ১২ জুন মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এমনকি তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে কোন নোটিশ প্রদান করেননি।সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকৌশলী উন্নয়নের এ টাকা ফেরত পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের।

এ ব্যাপারে পিটিশনকারী রিপন জমাদ্দার জানান উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে জনগণের টাকা যেন কেউ আত্মসাত না করতে পারে এই জন্যই আমি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের পক্ষে আদালতের স্বরপন্ন হয়েছি।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাইয়ুম জানান,প্রথম টেন্ডার বাতিল হওয়ার পর নতুন করে আর টেন্ডার দেওয়া হয় নি। উচ্চ আদালত থেকে আদেশের প্রেক্ষিতে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের এডিবি’র প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট সিদ্ধান্ত অগ্রগামী করা হয়েছিল।তবে জানতে পারলাম যে,প্রকল্প বাস্তবায়ন না হয়ে পুরো টাকাই ফেরত পাঠানো হয়েছে।
উন্নয়নের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী অবহেলায় এডিবি’র ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উন্নয়নের জন্য ২০২২-২৩ অর্থ বছরের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এডিবি’র ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলামের অবহেলায় এ টাকা ফেরত গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম সাধারন মানুষদের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেন।সরকারী দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার ভিন্নমতের ঠিকাদারদের হয়রানি করেন।
জানা গেছে, এডিবি’র ওই টাকা যাতে বাস্তবায়ন না হতে পারে সেজন্য রহস্যজনক কারন দেখিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর একজন শুভাকাঙ্ক্ষী উচ্চ আদালতে রিট করেন। মে মাসের ৮ তারিখের ওই রিট পিটিশনের বাদী রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার। এরপর মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের আপিলের প্রেক্ষিতে চেম্বার জজ পূর্বের আদেশ স্থগিত করেন।এর ফলে এডিবি’র প্রোক্ত টাকা বাস্তবায়নে আর কোন বাধা থাকে না।

এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম আপিল আদেশের পূর্বেই টেন্ডার বাতিল করে দেন।একপর্যায়ে উপজেলা পরিষদের বিশেষ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এবং জিয়ারুল ইসলামের পরামর্শক্রমে আরএফকিউ এবং পিআইসি পদ্ধতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এরপর ঠিকাদারগন সিডিউল ক্রয় করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে যান। প্রকৌশলী নিজের স্বার্থে আরএফকিউ এবং পিআইসি পদ্ধতিতে সিডিউল বিক্রি করেন নি।তিনি সরকার দলীয় ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন।এরপর তার টার্গেটকৃত ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ১২ জুন মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এমনকি তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে কোন নোটিশ প্রদান করেননি।সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকৌশলী উন্নয়নের এ টাকা ফেরত পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ জনপ্রতিনিধিদের।

এ ব্যাপারে পিটিশনকারী রিপন জমাদ্দার জানান উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে জনগণের টাকা যেন কেউ আত্মসাত না করতে পারে এই জন্যই আমি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের পক্ষে আদালতের স্বরপন্ন হয়েছি।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাইয়ুম জানান,প্রথম টেন্ডার বাতিল হওয়ার পর নতুন করে আর টেন্ডার দেওয়া হয় নি। উচ্চ আদালত থেকে আদেশের প্রেক্ষিতে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের এডিবি’র প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট সিদ্ধান্ত অগ্রগামী করা হয়েছিল।তবে জানতে পারলাম যে,প্রকল্প বাস্তবায়ন না হয়ে পুরো টাকাই ফেরত পাঠানো হয়েছে।
উন্নয়নের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।