নাজিরপুরে সংবাদ সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক লাঞ্ছিত
- আপডেট সময় : ০২:২১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের নাজিরপুরে সংবাদ সংগ্রহ করাকে কেন্দ্র করে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক কর্তৃক সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম সিন্টুসহ আরও ২ জন লাঞ্ছিত হয়েছে। সোমবার ২৪ জুলাই সকালে উপজেলা কৃষি অফিস হল রুমে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা ও সমৃদ্ধি অর্জনে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটেছে।
এতে তিন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা হলেন মোঃ তারিকুল ইসলাম সিন্টু (দৈনিক সময়ের কন্ঠ), অনুপ কুমার সিকদার (দৈনিক ইত্তেফাক) এবং শেখ মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু।
সিসি ফুজেট থেকে দেখা যায়, ওই দিন সকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মৎস্য অফিসের দাওয়াতে সাংবাদিকরা উপস্থিত হন। তখন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু দৈনিক সময়ের কন্ঠের সাংবাদিককে বলে তুই কেন এখানে এসেছ ? এখানে প্রেস ক্লাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তুই তো প্রেস ক্লাবের মেম্বার না বলে গালিগালাজ করলে উভয়ই তর্কবিতর্কে জড়িয়ে যাওয়ার একপর্যায়ে সাংবাদিক তারিকুল ইসলামকে চেয়ার ধরে টানা হেছড়া করে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় এতে তিনি লাঞ্ছিত হলে হাতাহাতির সৃষ্টি হয়ে ওই তিন সাংবাদিক আহত হন। পরবর্তীতে
এদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিকাল ৫ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডাঃ সঞ্জীব দাস, শ্রীরামকাঠী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন বেপারী ও সেখামাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নুসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়
তখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, রাষ্ট্রীয় গোপন কিছু জায়গা ব্যতিত সকল জায়গায় সকল গণমাধ্যকর্মীরা প্রবেশ করতে পারবেন, এতে বাঁধা দেওয়ার কোন সুযোগ নেই, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সাংবাদিক অনুপ কুমার সিকদার বলেন, আমার চোখের সামনেই এ ঘটনা ঘটেছে, একজন সংবাদকর্মীকে তার সংবাদ সংগ্রহের কাজে অন্য কোন সাংবাদিকের বাঁধা দেওয়ার সুযোগ নাই, বিষয়টি দুঃখজনক। এদেরকে শান্ত করতে গিয়ে আমি নিজেও আহত হয়েছি।
এ বিষয়ে আহত শেখ মোস্তাফিজুর রহমান লাভলু মিমাংসার সময় বলেন, আমার কোন অভিযোগ নাই; থানায় দেওয়া অভিযোগ আমি প্রত্যাহার করে নিব।
আহত সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম সিন্টু বলেন, আমি সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে লাভলু ভাই নিজেকে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক দাবী করে আমাকে শারীরীক ও মানুষিকভাবে হেনস্থা করে, বিষয়টি আমি মেনে নিতে না পারায় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে, এই ঘটনার জন্য একজন সংবাদকর্মী হিসাবে আমি অনুতপ্ত।










