মঠবাড়িয়া ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার মঠবাড়িয়ায় আন্তঃজেলা ডা’কা’ত দলের সর্দার গ্রেপ্তা’র, পিস্তল সহ ৬ ককটেল উ’দ্ধা’র নাজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান গ্রেফতার-৩ মঠবাড়িয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড

সালিশে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২ ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

সালিশে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ হালিম মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করেছে দুবৃত্তরা। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সরুপাই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

আহত মোঃ হালিম মিয়া নবগ্রাম ইউনিয়নের মৃত মোঃ মুন্নাফ মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় হালিমের স্ত্রী লিপি বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার সফি গায়ানের ছেলে সুজন গায়ান (৩৪) এবং মৃত ফরদাদ গায়ানের ছেলে মোঃ সোহেল গায়ানের (২২) নামে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে হালিম জানিয়েছে, দিন পনের আগে এলাকায় রাস্তা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং প্রতিবেশিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা না দেওয়ায় ভুক্তভোগী আঃ ছামাদের বাড়িতে একটি সালিশ হয়। সেখানে হালিমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশের একপর্যায়ে স্থাপনা উচ্ছেদ এবং প্রতিবেশিকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার শর্তে দু পক্ষের মাঝে সমঝোতা হয়।

এ ঘটনা থেকেই সূত্রপাত জানিয়ে হালিম বলেন, সুজন এবং সোহেল ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে পক্ষে কাজ করার জন্য আর্থিক সুবিধা নিতে চেয়েছিল। আমার কারণে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে আমার সাথে শত্রুতা শুরু করে এবং আমার নামে এলাকায় নানা কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলে।

অভিযোগসূত্রে জানাযায়, উৎপেতে থাকা সুজন এবং সোহেলসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন সরুপাই মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় গতি রোধ করে অতর্কিত হমলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি মারধর করে হালিমকে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দেওয়ান রাসেল ফেরানোর জন্য এগিয়ে আসলে সেও এলোপাথারি মারের কবলে পরে। ডাক চিৎকারে লোকজনের উপস্থিতি বাড়তে থাকলে এঘটনায় মামলা হলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা।

অভিযুক্ত সুজননের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নামাজ শেষ করে আমার এক প্রতিবেশির বাড়িতে যাই। সেখানে হালিমও উপস্থিত ছিল। কোন কারণ ছাড়াই হালিম আমার ওপর চটে আসে এবং আমার শার্টের কলার চেপে ধরে। আমি আত্ন রক্ষার্থে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেই। এর বাইরে আর কিছু ঘটেনি।

দ্বিতীয় অভিযুক্ত মোঃ সোহেল গায়ানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার বলেন, অভিযোগের সত্ততা যাচাইয়ের জন্য বানিয়াজুরির তদন্ত কেন্দ্রেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্ততা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সালিশে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:২৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০২২

সালিশে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ হালিম মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করেছে দুবৃত্তরা। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সরুপাই এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

আহত মোঃ হালিম মিয়া নবগ্রাম ইউনিয়নের মৃত মোঃ মুন্নাফ মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় হালিমের স্ত্রী লিপি বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার সফি গায়ানের ছেলে সুজন গায়ান (৩৪) এবং মৃত ফরদাদ গায়ানের ছেলে মোঃ সোহেল গায়ানের (২২) নামে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে হালিম জানিয়েছে, দিন পনের আগে এলাকায় রাস্তা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং প্রতিবেশিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা না দেওয়ায় ভুক্তভোগী আঃ ছামাদের বাড়িতে একটি সালিশ হয়। সেখানে হালিমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশের একপর্যায়ে স্থাপনা উচ্ছেদ এবং প্রতিবেশিকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার শর্তে দু পক্ষের মাঝে সমঝোতা হয়।

এ ঘটনা থেকেই সূত্রপাত জানিয়ে হালিম বলেন, সুজন এবং সোহেল ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে পক্ষে কাজ করার জন্য আর্থিক সুবিধা নিতে চেয়েছিল। আমার কারণে আর্থিক সুবিধা না পেয়ে আমার সাথে শত্রুতা শুরু করে এবং আমার নামে এলাকায় নানা কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলে।

অভিযোগসূত্রে জানাযায়, উৎপেতে থাকা সুজন এবং সোহেলসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন সরুপাই মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় গতি রোধ করে অতর্কিত হমলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি মারধর করে হালিমকে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দেওয়ান রাসেল ফেরানোর জন্য এগিয়ে আসলে সেও এলোপাথারি মারের কবলে পরে। ডাক চিৎকারে লোকজনের উপস্থিতি বাড়তে থাকলে এঘটনায় মামলা হলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা।

অভিযুক্ত সুজননের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নামাজ শেষ করে আমার এক প্রতিবেশির বাড়িতে যাই। সেখানে হালিমও উপস্থিত ছিল। কোন কারণ ছাড়াই হালিম আমার ওপর চটে আসে এবং আমার শার্টের কলার চেপে ধরে। আমি আত্ন রক্ষার্থে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেই। এর বাইরে আর কিছু ঘটেনি।

দ্বিতীয় অভিযুক্ত মোঃ সোহেল গায়ানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার বলেন, অভিযোগের সত্ততা যাচাইয়ের জন্য বানিয়াজুরির তদন্ত কেন্দ্রেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সত্ততা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।