মঠবাড়িয়া ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার মঠবাড়িয়ায় আন্তঃজেলা ডা’কা’ত দলের সর্দার গ্রেপ্তা’র, পিস্তল সহ ৬ ককটেল উ’দ্ধা’র নাজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান গ্রেফতার-৩ মঠবাড়িয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০ বছরের কা’রা’দ’ণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কা’রা’দ’ণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা

এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০ বছরের কা’রা’দ’ণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৩১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কা’রা’দ’ণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা

এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।