মঠবাড়িয়া ১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২ মঠবাড়ীয়া মোমেনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, অংশ নিলেন সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের চাবি চুরির অভিযোগ :থানায় মামলা মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

দেশের অর্থনীতিতে গতি আনবে উত্তরাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষায়

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২ ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বেক্সিমকো কোম্পানি লিমিটেড এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার প্লান্ট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে গতি আনবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দাবি করেন তারা। উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে শুভ উদ্বোধন হতে পারে দৈনিক ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

 

তিস্তা নদীর ওপারে কুড়িগ্রামের উলিপুর আর এপারে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ এবং পাশেই রংপুরের পীরগাছা উপজেলা। এই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী সংযোগস্থলে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটির অবস্থান।
অতীতে যেখানে যেতে সাহস পেতেন না অনেকেই, ফলতো না কোনো ফসল সেখানে যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি সংযোগ সড়ক। কাজের সুবিধার্থে ও প্রকল্পের তদারকির জন্য ভিতরেও রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট রাস্তা।

 

প্রকল্পটি উদ্বোধন হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে প্রায় ২ সহস্রাধিক লোকের। ইতোমধ্যেই জীবনমানে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে স্থানীয় অধিবাসীদের। স্থাপিত হয়েছে মসজিদ, মাদ্রাসা।এলাকার মৃত মানুষের সমাধিস্থ করার কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় কর্তৃপক্ষের অনুদানে করা হয়েছে একটি কবর স্থানও। এছাড়া অনুদানও দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন গ্রামের মসজিদ ও মাদ্রাসায়।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের দিকে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি ব্যয়ে ওই দুর্গম চরের তপ্ত বালু রাশির পরিত্যক্ত প্রায় ৬০০ একর জায়গায় তিস্তা পাওয়ার প্লান্ট’ নামে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ৮৫টি মাউন্টিং পাইলস যার ওপরে বসানো হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার সৌর প্যানেল। সারি সারি সাজানো সৌর প্যানেলের সৌন্দর্য দৃষ্টি কেড়ে নেবে যে কারো।

 

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব সৌর প্যানেল থেকে ১২০ টি ইনভার্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এজন্য ২৮ টি বক্স ট্রান্সমিশনে সংযোগ স্থাপন, সাবস্টেশনসহ ১২০ কেভিএ ট্রান্সমিশন টাওয়ার নির্মাণ এবং জাতীয় গ্রীডে সংযুক্তির জন্য তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট থেকে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ৩৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার লম্বা সঞ্চালন লাইন তৈরি করা হয়েছে। এই লাইনের মাধ্যমেই সুন্দরগঞ্জের কেন্দ্রটি থেকে রংপুর গ্রিড সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

 

তিস্তা নদীর তীরের চরখোদ্দা গ্রামের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ের দিকে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে উদ্বোধনের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তার আগে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুর করা হবে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। উত্তরাঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটসহ গোটা রংপুর বিভাগের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রকল্প এডমিন আলহাজ্ব ইউনুছ আলী বলেন, প্রকল্পটি উত্তরাঞ্চলেরসহ দেশের জন্য একটি মাইলফলক। এটি দেশের মধ্যে বৃহত্তম। আশা করছি রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতের উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরু ত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

 

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি- শঠিবাড়ী, রংপুর-এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সিফাত আহমেদ চৌধুরী বলেন, তিস্তা পাওয়ার প্লান্টের উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে। সেখান থেকে বিপিডিবি কিছু নিবেন তারপর হয়তো আমরাও কিছু নিব। ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতে কত লাখ গ্রাহক সেবার আওতায় আসতে পারেন? জবাবে তিনি বলেন, এটি তো নির্ভর করবে ব্যবহারের ওপর। তবে অনুমান কমপক্ষে ১০ লাখ লোক উপকৃত হতে পারে।

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, রংপুর-এর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আশরাফ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট থেকে দৈনিক ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলে তা হবে রংপুর বিভাগের জন্য একটি মাইলফলক। এটি রংপুর থেকেই জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে। তখন আমাদেরকে আর যমুনার ওইপার থেকে বিদ্যুৎ আনতে হবে। প্রকল্পটি চালু হলে বিদ্যুতের ঘাটতি দূর হওয়ার পাশাপাশি তা উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে বেশ অবদান রাখবে জানালেন ওই কর্মকর্তা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দেশের অর্থনীতিতে গতি আনবে উত্তরাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষায়

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বেক্সিমকো কোম্পানি লিমিটেড এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার প্লান্ট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে গতি আনবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দাবি করেন তারা। উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে শুভ উদ্বোধন হতে পারে দৈনিক ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়।

 

তিস্তা নদীর ওপারে কুড়িগ্রামের উলিপুর আর এপারে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ এবং পাশেই রংপুরের পীরগাছা উপজেলা। এই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী সংযোগস্থলে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটির অবস্থান।
অতীতে যেখানে যেতে সাহস পেতেন না অনেকেই, ফলতো না কোনো ফসল সেখানে যাতায়াতের জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি সংযোগ সড়ক। কাজের সুবিধার্থে ও প্রকল্পের তদারকির জন্য ভিতরেও রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট রাস্তা।

 

প্রকল্পটি উদ্বোধন হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে প্রায় ২ সহস্রাধিক লোকের। ইতোমধ্যেই জীবনমানে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে স্থানীয় অধিবাসীদের। স্থাপিত হয়েছে মসজিদ, মাদ্রাসা।এলাকার মৃত মানুষের সমাধিস্থ করার কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় কর্তৃপক্ষের অনুদানে করা হয়েছে একটি কবর স্থানও। এছাড়া অনুদানও দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন গ্রামের মসজিদ ও মাদ্রাসায়।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের দিকে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি ব্যয়ে ওই দুর্গম চরের তপ্ত বালু রাশির পরিত্যক্ত প্রায় ৬০০ একর জায়গায় তিস্তা পাওয়ার প্লান্ট’ নামে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ৮৫টি মাউন্টিং পাইলস যার ওপরে বসানো হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার সৌর প্যানেল। সারি সারি সাজানো সৌর প্যানেলের সৌন্দর্য দৃষ্টি কেড়ে নেবে যে কারো।

 

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব সৌর প্যানেল থেকে ১২০ টি ইনভার্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এজন্য ২৮ টি বক্স ট্রান্সমিশনে সংযোগ স্থাপন, সাবস্টেশনসহ ১২০ কেভিএ ট্রান্সমিশন টাওয়ার নির্মাণ এবং জাতীয় গ্রীডে সংযুক্তির জন্য তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট থেকে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ৩৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার লম্বা সঞ্চালন লাইন তৈরি করা হয়েছে। এই লাইনের মাধ্যমেই সুন্দরগঞ্জের কেন্দ্রটি থেকে রংপুর গ্রিড সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

 

তিস্তা নদীর তীরের চরখোদ্দা গ্রামের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ের দিকে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে উদ্বোধনের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তার আগে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুর করা হবে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। উত্তরাঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটসহ গোটা রংপুর বিভাগের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রকল্প এডমিন আলহাজ্ব ইউনুছ আলী বলেন, প্রকল্পটি উত্তরাঞ্চলেরসহ দেশের জন্য একটি মাইলফলক। এটি দেশের মধ্যে বৃহত্তম। আশা করছি রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতের উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরু ত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

 

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি- শঠিবাড়ী, রংপুর-এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সিফাত আহমেদ চৌধুরী বলেন, তিস্তা পাওয়ার প্লান্টের উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে। সেখান থেকে বিপিডিবি কিছু নিবেন তারপর হয়তো আমরাও কিছু নিব। ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতে কত লাখ গ্রাহক সেবার আওতায় আসতে পারেন? জবাবে তিনি বলেন, এটি তো নির্ভর করবে ব্যবহারের ওপর। তবে অনুমান কমপক্ষে ১০ লাখ লোক উপকৃত হতে পারে।

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, রংপুর-এর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আশরাফ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তিস্তা সোলার পাওয়ার প্লান্ট থেকে দৈনিক ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলে তা হবে রংপুর বিভাগের জন্য একটি মাইলফলক। এটি রংপুর থেকেই জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হবে। তখন আমাদেরকে আর যমুনার ওইপার থেকে বিদ্যুৎ আনতে হবে। প্রকল্পটি চালু হলে বিদ্যুতের ঘাটতি দূর হওয়ার পাশাপাশি তা উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে বেশ অবদান রাখবে জানালেন ওই কর্মকর্তা।