মঠবাড়িয়া ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার মঠবাড়িয়ায় নকল বিড়িতে সয়লাব বাজার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২ ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ব্যান্ডরোল বিড়ির ছড়াছড়ি সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমানের রাজস্ব। নিজস্ব কারখানায় তৈরী করে অবৈধ ব্যান্ডরোল বা ট্যাক্স স্ট্যাম্প ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়িরা মঠবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারের পাইকারি দোকানে এসব বিড়ি বিক্রি করে। এ দোকানগুলো থেকে প্রত্যন্তাঞ্চলের খুচরা দোকানীরা কিনে নিয়ে জনে-জনে বিক্রি করেন।

নাম প্রকাশ না শর্তে স্বনামধন্য একটি কোম্পানীর কর্মকর্তারা জানান, এক প্যাকেট বিড়ি (১৫ টি) এর প্যাকেটের গায়ে বিশেষ সরকারি স্টিকার লাগানো হয়। সরকার রাজস্ব হিসেবে তার মূল্য নেন ৯ টাকা ৩০ পয়সা। বিড়ি তৈরি ও বাজারজাত করন ভ্যাটসহ সব ধরনের ব্যান্ডের বিড়ি প্রতি প্যাকেট পাইকারি দোকানে বিক্রি হয় ১৭ বা ১৮ টাকায়।

এদিকে “ফাইটার বিড়ি” নামে একটি ব্যান্ডরোল বা নকল স্টিকার যুক্ত সরকারি লোগো লাগিয়ে বিড়ি মঠবাড়িয়ার বাজারে বিক্রি করে আসছে কিছু অসাধু ব্যবসায়িরা। তারা প্রতি প্যাকেট (২৫ টি) পাইকারি বাজারে বিক্রি করে ৭ বা ৮ টাকা। গত ২৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ৫৬ হাজার “ফাইটার বিড়ি” সহ ২ ব্যক্তিকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে আটককৃত বিক্রয় প্রতিনিধি মজিবর রহমান (৫৫) ও গাড়ি চালক সোহেল (৩৫) সহ আটককৃত ৫৬ হাজার বিড়ি থানা হেফাজতে নেন। কিন্তু রহস্য জনক কারনে থানা পুলিশ আটককৃতদের মোবাইল কোর্টে হাজির না করে গভীর রাতে কোন আইনী পদক্ষেপ ছ্ড়াাই ছেড়ে দেন।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি, মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সঠিক কাগজ-পত্র পরে দেখাবে এমন কথার ওপর তাদের জিম্ময় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে বিড়িগুলো থানায় জমা রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঊর্মি ভৌমিক এর মুঠোফোনে একাধিক কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার মঠবাড়িয়ায় নকল বিড়িতে সয়লাব বাজার

আপডেট সময় : ১১:৫০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ব্যান্ডরোল বিড়ির ছড়াছড়ি সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমানের রাজস্ব। নিজস্ব কারখানায় তৈরী করে অবৈধ ব্যান্ডরোল বা ট্যাক্স স্ট্যাম্প ব্যবহার করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়িরা মঠবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারের পাইকারি দোকানে এসব বিড়ি বিক্রি করে। এ দোকানগুলো থেকে প্রত্যন্তাঞ্চলের খুচরা দোকানীরা কিনে নিয়ে জনে-জনে বিক্রি করেন।

নাম প্রকাশ না শর্তে স্বনামধন্য একটি কোম্পানীর কর্মকর্তারা জানান, এক প্যাকেট বিড়ি (১৫ টি) এর প্যাকেটের গায়ে বিশেষ সরকারি স্টিকার লাগানো হয়। সরকার রাজস্ব হিসেবে তার মূল্য নেন ৯ টাকা ৩০ পয়সা। বিড়ি তৈরি ও বাজারজাত করন ভ্যাটসহ সব ধরনের ব্যান্ডের বিড়ি প্রতি প্যাকেট পাইকারি দোকানে বিক্রি হয় ১৭ বা ১৮ টাকায়।

এদিকে “ফাইটার বিড়ি” নামে একটি ব্যান্ডরোল বা নকল স্টিকার যুক্ত সরকারি লোগো লাগিয়ে বিড়ি মঠবাড়িয়ার বাজারে বিক্রি করে আসছে কিছু অসাধু ব্যবসায়িরা। তারা প্রতি প্যাকেট (২৫ টি) পাইকারি বাজারে বিক্রি করে ৭ বা ৮ টাকা। গত ২৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ৫৬ হাজার “ফাইটার বিড়ি” সহ ২ ব্যক্তিকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে আটককৃত বিক্রয় প্রতিনিধি মজিবর রহমান (৫৫) ও গাড়ি চালক সোহেল (৩৫) সহ আটককৃত ৫৬ হাজার বিড়ি থানা হেফাজতে নেন। কিন্তু রহস্য জনক কারনে থানা পুলিশ আটককৃতদের মোবাইল কোর্টে হাজির না করে গভীর রাতে কোন আইনী পদক্ষেপ ছ্ড়াাই ছেড়ে দেন।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি, মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সঠিক কাগজ-পত্র পরে দেখাবে এমন কথার ওপর তাদের জিম্ময় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে বিড়িগুলো থানায় জমা রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঊর্মি ভৌমিক এর মুঠোফোনে একাধিক কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।