মঠবাড়িয়া ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

ইন্দুরকানী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস

পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ ২৮২ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস (২ ডিসেম্বর)। ১৯৭১ সালের এই দিনে ইন্দুরকানী উপজেলা পুরোপুরিভাবে পাকিস্তানি হানাদারদের প্রভাব মুক্ত হয়।

পিরোজপুর জেলায় উপজেলা হিসেবে প্রথম মুক্ত হয় ইন্দুরকানী উপজেলা। ইন্দুরকানী উপজেলার ইতিহাসে এ দিনটি বিশেষ স্মরণীয় দিন।

মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধীনে সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন এলাকা ছিলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দুরকানী উপজেলা তথা সমগ্র পিরোজপুর।

ইন্দুরকানী উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ প্রধানত উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের পাড়েরহাট বন্দর ও বাজার সংশ্লিষ্ট এলাকা জুড়ে ছিল।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৪ মে পিরোজপুরে প্রথম পাকিস্তানি বাহিনী প্রবেশ করে। ১৯৭১ সলের রক্তঝরা দিনগুলোতে মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল পিরোজপুর বিভিন্ন অঞ্চল। তারই ধারাবাহিকতায় ইন্দুরকানী তথা তৎকালীন ইন্দুরকানী এলাকার পাড়েরহাট বন্দর থেকে হানাদার বাহিনী তাদের সকল কার্যক্রম শেষ করে চলে গিয়েছিল ২ ডিসেম্বর।

মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ অভিযানে ওইদিন হানাদারদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে ইন্দুরকানীকে দখলদার পাকিস্তান বাহিনীকে উৎখাত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইন্দুরকানী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

শুক্রবার পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস (২ ডিসেম্বর)। ১৯৭১ সালের এই দিনে ইন্দুরকানী উপজেলা পুরোপুরিভাবে পাকিস্তানি হানাদারদের প্রভাব মুক্ত হয়।

পিরোজপুর জেলায় উপজেলা হিসেবে প্রথম মুক্ত হয় ইন্দুরকানী উপজেলা। ইন্দুরকানী উপজেলার ইতিহাসে এ দিনটি বিশেষ স্মরণীয় দিন।

মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের অধীনে সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন এলাকা ছিলো মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দুরকানী উপজেলা তথা সমগ্র পিরোজপুর।

ইন্দুরকানী উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ প্রধানত উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের পাড়েরহাট বন্দর ও বাজার সংশ্লিষ্ট এলাকা জুড়ে ছিল।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৪ মে পিরোজপুরে প্রথম পাকিস্তানি বাহিনী প্রবেশ করে। ১৯৭১ সলের রক্তঝরা দিনগুলোতে মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল পিরোজপুর বিভিন্ন অঞ্চল। তারই ধারাবাহিকতায় ইন্দুরকানী তথা তৎকালীন ইন্দুরকানী এলাকার পাড়েরহাট বন্দর থেকে হানাদার বাহিনী তাদের সকল কার্যক্রম শেষ করে চলে গিয়েছিল ২ ডিসেম্বর।

মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ অভিযানে ওইদিন হানাদারদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে ইন্দুরকানীকে দখলদার পাকিস্তান বাহিনীকে উৎখাত করে।