মঠবাড়িয়া ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

মঠবাড়িয়ায় সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

নিজস্ব প্রতিনিধ
  • আপডেট সময় : ১১:২০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩০১ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সফলতা পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে সরিষা চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে।
মঠবাড়িয়া পল্লীর মেঠো পথ দিয়ে হাটলে মঠগুলোত চোখ আটকে যায়। হলদে বর্ণের সরিষা ফুল জানান দেয় কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষে আগ্রহ দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত সরিষা ক্ষেতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন বিকেল বেলা ক্ষেতের পাশে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ।
উপজেলার মিরুখালী, গুলিশাখালী, তুষখালী, বেতমোর, বড়মাছুয়া, আমড়াগাছিয়া, সাপলেজা ও টিকিকাটা ইউনিয়নে সরেজমিনে কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সরিষা চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। তাই প্রতি বছর সরিষা চাষের জমির পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। সয়াবিন তৈলের মূল্য বৃদ্ধিও কারনে আপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর সরিষা তৈলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাল মূল্য পাচ্ছে কৃষকরা। তবে উপজেলায় সবচেয়ে বেশী সরিষা চাষ হয়েছে সাপলেজা ও মিরুখালী ইউনয়নে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় প্রায় ১’শ একর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল মাত্র ৭৫ একর জমিতে। ১ শত একর জমিতে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ মেট্রিকটন যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে স্থানীয় বাজার অনুযায়ী ৭৮ লাখ টাকা।
সাপলেজা ইউনিয়নের খেতাছিড়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মজনু মিয়া (৫৫) এবং মিরুখালী গ্রামের প্রান্তিক চাষি মো. সেলিম (৩৫) জানান, কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে গত বছর সল্প জমিতে সরিষা চাষ করেছিলে। বীজ ক্রয়, চাষ ও সার-ওষুধ খরচ বাদে ২০-৩০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এবছর আরো অধিক জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সব খরচ বাদ দিয়ে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশংকা করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, সরিষার তৈলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমারা কৃষকদের সাথে নিয়মিত ভাবে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। তাদেও সার্বিক পরামার্শ দেয়া হচ্ছে। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য সরকারী প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের মধ্যে ৩ শত কেজি সরিষা বীজ বিতরণ করা হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহে ভবিষ্যতে প্রনোদনা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

আপডেট সময় : ১১:২০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সফলতা পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে সরিষা চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে।
মঠবাড়িয়া পল্লীর মেঠো পথ দিয়ে হাটলে মঠগুলোত চোখ আটকে যায়। হলদে বর্ণের সরিষা ফুল জানান দেয় কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষে আগ্রহ দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত সরিষা ক্ষেতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন বিকেল বেলা ক্ষেতের পাশে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ।
উপজেলার মিরুখালী, গুলিশাখালী, তুষখালী, বেতমোর, বড়মাছুয়া, আমড়াগাছিয়া, সাপলেজা ও টিকিকাটা ইউনিয়নে সরেজমিনে কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সরিষা চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। তাই প্রতি বছর সরিষা চাষের জমির পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। সয়াবিন তৈলের মূল্য বৃদ্ধিও কারনে আপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর সরিষা তৈলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাল মূল্য পাচ্ছে কৃষকরা। তবে উপজেলায় সবচেয়ে বেশী সরিষা চাষ হয়েছে সাপলেজা ও মিরুখালী ইউনয়নে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় প্রায় ১’শ একর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল মাত্র ৭৫ একর জমিতে। ১ শত একর জমিতে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ মেট্রিকটন যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে স্থানীয় বাজার অনুযায়ী ৭৮ লাখ টাকা।
সাপলেজা ইউনিয়নের খেতাছিড়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মজনু মিয়া (৫৫) এবং মিরুখালী গ্রামের প্রান্তিক চাষি মো. সেলিম (৩৫) জানান, কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে গত বছর সল্প জমিতে সরিষা চাষ করেছিলে। বীজ ক্রয়, চাষ ও সার-ওষুধ খরচ বাদে ২০-৩০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এবছর আরো অধিক জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সব খরচ বাদ দিয়ে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশংকা করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, সরিষার তৈলের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমারা কৃষকদের সাথে নিয়মিত ভাবে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। তাদেও সার্বিক পরামার্শ দেয়া হচ্ছে। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য সরকারী প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের মধ্যে ৩ শত কেজি সরিষা বীজ বিতরণ করা হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহে ভবিষ্যতে প্রনোদনা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।