মঠবাড়িয়া ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় আশ্রয়ণের ঘরে তালা, দখলে মাদকসেবী-গবাদিপশু বামনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সংবর্ধনা ও বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত প্রবাসী মেয়েদের পাঠানো টাকা দিয়ে ছেলেদের নামে জমি কিনলেন বাবা”আদালতে মামলা” মিরুখালী রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে রেইনকোট ও ছাতা বিতরণ প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত 

কুয়াকাটার তরমুজে সয়লাব খুলনার বাজার

মঠবাড়িয়া সমাচার ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

মৌসুমী নানা ফলে ভরে উঠেছে খুলনার ফলের বাজার। গরমের মধ্যে স্বস্তি ও পুষ্টি পেতে তরমুজ, সফেদা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারাসহ নানা রসালো ফল ঘরে নিচ্ছেন মানুষ।

তবে যে কোনো বছরের চেয়ে এবার ফলের দাম বেশি চড়া বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটার বিভিন্ন এলাকার আগাম তরমুজে সয়লাব হয়ে গেছে খুলনার বাজার। দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি থাকলেও বাজারের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে সবজি বাজারের পাশে ফুটপাতে বসা ফলের খুচরা দোকানগুলোতেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে রসালো ফল তরমুজ।

খুলনার কদমতলা আড়তে তরমুজ এখন যে দাম বিক্রি হচ্ছে, বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে তার প্রায় দ্বিগুণ দামে। শুধু তাই না আড়তে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি হলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন কেজি হিসেবে। এতে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা মোটা অঙ্কের মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন, অন্যদিকে ঠকছেন সাধারণ ক্রেতারা।

নগরীর ময়লাপোতা এলাকার ফল ব্যবসায়ী হারুন জানান, তরমুজ ৫০ টাকা কেজি, পাকা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি, ছফেদা ১২০ টাকা কেজি, আনারস জোড়া ১২০ টাকা ও পেয়ারা ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।

বাজারে ভালো মানের সব তরমুজই কুয়াকাটা এলাকার। খুলনার তরমুজ এখনও বাজারে ওঠেনি বলে জানান তিনি।

শহীদুল নামের একই এলাকার ফল ব্যবসায়ী বলেন, খুলনার বাজারে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে কুয়াকাটার তরমুজ। অন্য এলাকা থেকেও তরমুজ আসছে। তবে সেগুলোর চেয়ে গুণে, মানে ও স্বাদে কুয়াকাটার তরমুজ অনন্য। যার কারণে কুয়াকাটার তরমুজে সয়লাব হয়ে গেছে বাজার। ক্রেতাদের কাছে চাহিদাও বেশি।

মামুন আলী নামের এক ক্রেতা বলেন, এক তরমুজের কেজি সর্বোচ্চ ৩০-৩৫ টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু ৫০ টাকা করে কেজি বিক্রি করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা আড়ত থেকে পিস মূল্যে কিনলেও বিক্রি করছে কেজি দরে। দেখার কেউ নেই বলে ক্ষোভ ঝারেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়াকাটার তরমুজে সয়লাব খুলনার বাজার

আপডেট সময় : ০১:১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

মৌসুমী নানা ফলে ভরে উঠেছে খুলনার ফলের বাজার। গরমের মধ্যে স্বস্তি ও পুষ্টি পেতে তরমুজ, সফেদা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারাসহ নানা রসালো ফল ঘরে নিচ্ছেন মানুষ।

তবে যে কোনো বছরের চেয়ে এবার ফলের দাম বেশি চড়া বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটার বিভিন্ন এলাকার আগাম তরমুজে সয়লাব হয়ে গেছে খুলনার বাজার। দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি থাকলেও বাজারের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে সবজি বাজারের পাশে ফুটপাতে বসা ফলের খুচরা দোকানগুলোতেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে রসালো ফল তরমুজ।

খুলনার কদমতলা আড়তে তরমুজ এখন যে দাম বিক্রি হচ্ছে, বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে তার প্রায় দ্বিগুণ দামে। শুধু তাই না আড়তে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি হলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন কেজি হিসেবে। এতে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা মোটা অঙ্কের মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন, অন্যদিকে ঠকছেন সাধারণ ক্রেতারা।

নগরীর ময়লাপোতা এলাকার ফল ব্যবসায়ী হারুন জানান, তরমুজ ৫০ টাকা কেজি, পাকা পেঁপে ৭০ টাকা কেজি, ছফেদা ১২০ টাকা কেজি, আনারস জোড়া ১২০ টাকা ও পেয়ারা ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।

বাজারে ভালো মানের সব তরমুজই কুয়াকাটা এলাকার। খুলনার তরমুজ এখনও বাজারে ওঠেনি বলে জানান তিনি।

শহীদুল নামের একই এলাকার ফল ব্যবসায়ী বলেন, খুলনার বাজারে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে কুয়াকাটার তরমুজ। অন্য এলাকা থেকেও তরমুজ আসছে। তবে সেগুলোর চেয়ে গুণে, মানে ও স্বাদে কুয়াকাটার তরমুজ অনন্য। যার কারণে কুয়াকাটার তরমুজে সয়লাব হয়ে গেছে বাজার। ক্রেতাদের কাছে চাহিদাও বেশি।

মামুন আলী নামের এক ক্রেতা বলেন, এক তরমুজের কেজি সর্বোচ্চ ৩০-৩৫ টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু ৫০ টাকা করে কেজি বিক্রি করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা আড়ত থেকে পিস মূল্যে কিনলেও বিক্রি করছে কেজি দরে। দেখার কেউ নেই বলে ক্ষোভ ঝারেন তিনি।