মঠবাড়িয়া ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

পিরোজপুরে দলীয় শৃঙ্খলা অভিযোগে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সহ ৪ নেতা  বহিস্কার

পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান সহ ৪ নেতাকে বহিস্কার  করেছেন দলটি। শনিবার (১০ আগষ্ট) রাতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বহিস্কৃত নেতারা হলেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ বদিউজ্জামান রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক  মো. রিয়াজ শিকদার, জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শামিম হাওলাদার এ ৪ জন।

ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্না ও সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়ন এর  সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের দলীয় পদ সহ  দলের  প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও বহিস্কার করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে বহিস্কৃত নেতাদের অপকর্মের কোন দায় দায়িত্ব দল নিবে না এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক প্রধান মন্ত্রী দেশ শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর জেলা সদরে জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়, জেলা আওয়ামলীগের সভাপতি একেএমএ আউয়াল ও তার ভাই পৌর মেয়র হাবিবুর রহমানের বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে  অগ্নি সংযোগ   ও ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান  তার বিরুদ্ধে  সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও  দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের   অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গত ৫ আগষ্ট জেলা শহরে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী  ছাত্ররা     আমার নেতৃত্বে  (মারুফ হাসান)  নেতৃত্বে   মিছিল করার  সময় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক  মো. ইখতেয়ার মাহমুদ সজল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। এতে সাধারন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তিনি আরো বলেন, এ ছাড়া গত আওয়ামীলীগের  সাড়ে ১৫ বছরের শাসন আমলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বাড়ি-ঘরে একাধীকবার অগ্নি সংযোগ ও ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়েছে। ঘরে একদিনও ঘুমাতে দেয়া নি। প্রায় একই ধরনের বক্তব্য দলের বহিস্কৃত অন্য নেতাদেরও।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যপক আলমগীল হোসেন সহ দলের স্থানীয় একাধীক সূত্র জানান, বহিস্কৃত ওই সব নেতারা দলের ত্যাগী ও নি্রযাতিত। দলের আহ্বায়ক মারুফ হাসান শহরের  অত্যান্ত সভ্রান্ত পরিবারের সদস্য। কোন ব্যাক্তি ও গ্রুপ তাদের হয়রানী করতে তাদের  বিরুদ্ধে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এমন মিথ্যা তথ্য দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পিরোজপুরে দলীয় শৃঙ্খলা অভিযোগে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সহ ৪ নেতা  বহিস্কার

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

পিরোজপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান সহ ৪ নেতাকে বহিস্কার  করেছেন দলটি। শনিবার (১০ আগষ্ট) রাতে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বহিস্কৃত নেতারা হলেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ বদিউজ্জামান রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক  মো. রিয়াজ শিকদার, জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শামিম হাওলাদার এ ৪ জন।

ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্না ও সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়ন এর  সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের দলীয় পদ সহ  দলের  প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও বহিস্কার করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে বহিস্কৃত নেতাদের অপকর্মের কোন দায় দায়িত্ব দল নিবে না এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক প্রধান মন্ত্রী দেশ শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পর জেলা সদরে জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়, জেলা আওয়ামলীগের সভাপতি একেএমএ আউয়াল ও তার ভাই পৌর মেয়র হাবিবুর রহমানের বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে  অগ্নি সংযোগ   ও ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মারুফ হাসান  তার বিরুদ্ধে  সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও  দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের   অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গত ৫ আগষ্ট জেলা শহরে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী  ছাত্ররা     আমার নেতৃত্বে  (মারুফ হাসান)  নেতৃত্বে   মিছিল করার  সময় জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক  মো. ইখতেয়ার মাহমুদ সজল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। এতে সাধারন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তিনি আরো বলেন, এ ছাড়া গত আওয়ামীলীগের  সাড়ে ১৫ বছরের শাসন আমলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বাড়ি-ঘরে একাধীকবার অগ্নি সংযোগ ও ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়েছে। ঘরে একদিনও ঘুমাতে দেয়া নি। প্রায় একই ধরনের বক্তব্য দলের বহিস্কৃত অন্য নেতাদেরও।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যপক আলমগীল হোসেন সহ দলের স্থানীয় একাধীক সূত্র জানান, বহিস্কৃত ওই সব নেতারা দলের ত্যাগী ও নি্রযাতিত। দলের আহ্বায়ক মারুফ হাসান শহরের  অত্যান্ত সভ্রান্ত পরিবারের সদস্য। কোন ব্যাক্তি ও গ্রুপ তাদের হয়রানী করতে তাদের  বিরুদ্ধে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এমন মিথ্যা তথ্য দিতে পারে।