পিআইওর বাসা থেকে কাজের মেয়ে নিখোঁজ
- আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২ ৬০২ বার পড়া হয়েছে
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সরকারি কোয়ার্টার থেকে গৃহস্থলী কাজে নিয়োজিত সুমাইয়া আক্তার (১৯) নামের এক মেয়ে নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন সরকারি ওই কর্মকর্ত।
নিখোঁজ সুমাইয়া আক্তার বরিশান জেলার লেতরা উপজেলার আট কপাল এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের কণ্যা। তিন প্রায় ৪ মাস যাবৎ সরকারি এই কর্মকর্তার বাসায় গৃহস্থলীর কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
নিখোঁজের বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, তাকে বেশ কয়েকদিন ধরেই উদাসীন দেখা গেছে। বরিশালে থাকা তার পরিবারের সাথেও নিখোঁজের পরবর্তীতে আমার কথা হয়েছে তঁরাও মনে করছেন সুমাইয়া কারো সাথে সম্পর্কের মাধ্যমে চলে গেছেন। তাঁর পরিবারও আত্নীয়স্বজনের বাড়িতে খুজছেন। আমরাও লোকাল থানায় জানিয়েছে তারাও খোঁজ খবর করছেন। আশাকরি দ্রুত সন্ধন পাওয়া যাবে।
যাওয়ার আগে ঘরে থাকা ৭ হাজার টাকাও সঙ্গে নিয়ে যায় সুমাইয়া।
সরকারি এই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী সুমাইয়ার উচ্চতা ৫ফুট ২ ইঞ্জি, গায়ের রং শ্যামলা মুখমন্ডল লম্বাটে মাথার চুল সম্পূর্ণ কালো। এসময় তার পরনে ছিল সাদা প্রিন্টের জামা, সাদা হিজাব ও কালো রংয়ের।
নিখোঁজ সুমাইয়ার মা কোহিনুর বেগম বলেন, আমার মেয়ে ৭বছর বয়স থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন যায়গায় মানুষের বাড়ী কাম করে। গেল পনের দিন আগে কাজের জন্য মানিকগঞ্জে যায় তখন আমার সাথে ফোনে কথা হইছে। আমার পাঁচ ছেলে মেয়ের মইধ্যে সুমাইয়া দ্বিতীয় ও আমর সংসারে অনেক সাহায্য-সহযোগীতা করত। আল্লাহ আমার মেয়েরে ফিরিয়ে দেউক।
ঘিওর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বিপ্লব জানান, সুমাইয়া নিখোজের বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তার সন্ধানের জন্য বিভিন্ন ভাবে সোর্সের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে।













