মঠবাড়িয়া ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতাল নিয়ে আমার কিছু কথা।

লেখক:- মনিরুল ইসলাম প্রবাসী
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতাল নিয়ে আমার কিছু কথা।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত অপারেশন পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযুক্ত হাসপাতালের পরিচালক মো. মনির যদিও হাসপাতালের প্রচার ও সেবার মান উন্নয়নের কথা বলছেন, তবে কিছু চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক ও কিছু ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মধু নিজের ফেইসবুকে তার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে লিখেন , “আমার স্ত্রী গলা ব্যথায় ভুগছিলেন। মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের একজন ডাক্তার বিভিন্ন টেস্টের পর দ্রুত টনসিল অপারেশনের পরামর্শ দেন। আমি ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে তিনি জানান, অপারেশনের প্রয়োজন নেই, শুধু ওষুধেই সেরে যাবে।“

তিনি আরও বলেন, “আমার বড়ো বোনকেও ওই হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক জরায়ুর অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু খুলনা ইসলামি হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, অপারেশনের কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু ওষুধেই সুস্থ হয়েছেন।”

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালটি এর প্রচার-প্রচারণায় সাংবাদিকদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। মো. মনির সাংবাদিকদের জন্য আলাদা রিসিভ চালু করেন এবং আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করেন। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে রোগী সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তৎকালীন মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মধু বলেন, “আমি সেই সময় সাংবাদিকদের জন্য দেওয়া বিশেষ রিসিভ পেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যবহার করিনি। আমার বিশ্বাস, কোনো প্রতিষ্ঠান ভালো সেবা দিলে রোগীরাই সেটি প্রচার করবে। সেখানে সাংবাদিকদের দিয়ে প্রচারণা চালানো অনৈতিক।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে কিছু বলছি না। আমি একজন ভুক্তভোগী। এতদিন কিছু বলিনি, কিন্তু এখন বিষয়টি সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এখন বলা জরুরি হয়ে পড়েছে।”

এ বিষয়ে সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের চেয়ারম্যান মনির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতাল নিয়ে আমার কিছু কথা।

আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতাল নিয়ে আমার কিছু কথা।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত অপারেশন পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযুক্ত হাসপাতালের পরিচালক মো. মনির যদিও হাসপাতালের প্রচার ও সেবার মান উন্নয়নের কথা বলছেন, তবে কিছু চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিক ও কিছু ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মধু নিজের ফেইসবুকে তার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে লিখেন , “আমার স্ত্রী গলা ব্যথায় ভুগছিলেন। মঠবাড়িয়া সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের একজন ডাক্তার বিভিন্ন টেস্টের পর দ্রুত টনসিল অপারেশনের পরামর্শ দেন। আমি ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে তিনি জানান, অপারেশনের প্রয়োজন নেই, শুধু ওষুধেই সেরে যাবে।“

তিনি আরও বলেন, “আমার বড়ো বোনকেও ওই হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক জরায়ুর অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু খুলনা ইসলামি হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, অপারেশনের কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু ওষুধেই সুস্থ হয়েছেন।”

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালটি এর প্রচার-প্রচারণায় সাংবাদিকদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। মো. মনির সাংবাদিকদের জন্য আলাদা রিসিভ চালু করেন এবং আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করেন। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে রোগী সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তৎকালীন মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মধু বলেন, “আমি সেই সময় সাংবাদিকদের জন্য দেওয়া বিশেষ রিসিভ পেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যবহার করিনি। আমার বিশ্বাস, কোনো প্রতিষ্ঠান ভালো সেবা দিলে রোগীরাই সেটি প্রচার করবে। সেখানে সাংবাদিকদের দিয়ে প্রচারণা চালানো অনৈতিক।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে কিছু বলছি না। আমি একজন ভুক্তভোগী। এতদিন কিছু বলিনি, কিন্তু এখন বিষয়টি সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এখন বলা জরুরি হয়ে পড়েছে।”

এ বিষয়ে সৌদি প্রবাসি হাসপাতালের চেয়ারম্যান মনির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করেন।