মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক রুহুল আমিন দুলালকে নিয়ে লন্ডন প্রবাসীর আবেগঘন স্ট্যাটাস
- আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
হাতি মরলেও দাম কোটি টাকা।
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রিয়তমা সহধর্মীনি লুৎফুন্নেসা জীবনের কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে বলেছিলেন, “হাতির পিঠে চড়েছি সারাজীবন, এখন গাধার পিঠে চড়ি কি করে?”
যুগ-যুগ ধরে মঠবাড়িয়া বিএনপি’র যে কর্মীরা পর্বতসম জনপ্রিয় নেতা রুহুল আমিন দুলালের কাঁধে সওয়ার হয়ে আছেন, সেই কর্মীরা ‘হঠাৎ-নেতাদের’ পিছে থাকবেন কিভাবে?
বলা যায়, সেই ল্যাংটাকাল থেকে রুহুল আমিন দুলাল ভাইকে দেখছি রাজনীতির ধারাবাহিকতায় মঠবাড়িয়া ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপি’র পাইলট হিসেবে। দীর্ঘ রাজনীতির বন্ধুর পথে ভুলত্রুটি দুলাল ভাই’র হয়তো কিছু থাকতে পারে, কিন্তু মঠবাড়িয়ার বিএনপি’র অধিকাংশ নেতা-কর্মীদের আস্থা এবং আশ্রয় রুহুল আমিন দুলাল।
দলের দুর্দিনে মঠবাড়িয়া বিএনপি’র কাণ্ডারি হিসেবে সব সময়েই নিজে যেমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তেমনি নেতা-কর্মীদেরকে আগলে রেখেছেন ঢাল হয়ে।
সেই মানুষটিকে টাকার বিনিময়ে ষড়যন্ত্র করে কে বা কারা দল থেকে বহিষ্কার করিয়েছে সেই ঘটনা কারোরই অজানা নয়।
https://www.facebook.com/share/1FFv1sEpBc/
তৃতীয় বিভাগের ছাত্র যতই পড়া-লেখা করুক, সর্বোচ্চ দ্বিতীয় বিভাগে পাস করা সম্ভব; প্রথম বিভাগ কপালে জোটে নাহ্!
পয়সা খরচ করে স্লোগান দিতে কিছু লোকের সমাগম হয়তো ঘটানো যায়, কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়া যায় নাহ্!
লবিং-গ্রুপিং করে হয়তো কেন্দ্র থেকে একখানা পদ বাগায়ে আনা যায়, মাগার কর্মীবান্ধব নেতা হওয়া সম্ভব নয়!
নেতা হতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়, কর্মীদের সমর্থন ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা জরুরী।
নেতা হতে একটি ইতিহাস থাকতে হয়।
নিজের হ্যাডম দেখাতে পয়সা খরচ করে দেশী-বিদেশী নেতাকে হায়ার করে এনে লোকদেখানো বাড়ি-ঘর, টয়লেট উদ্বোধন করানো যায়, মাগার নমিনেশনের আশা করা বোকামি!
ঘটনার শুরু থেকেই খোঁজ খবর রাখছি।
যেহেতু বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের এখনকার সর্বোচ্চ নেতার সাথে একই শহরে আমার বসবাস, সুতরাং বিএনপি’র সুপ্রিম লেভেলের আপডেট পেতে আমাকে অন্তত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ইংল্যান্ডে আসতে হয় না।
গত এক বছর মাথা ঠাণ্ডা রেখে ধৈর্য্য ধারণ করেছেন, সেজন্য দুলাল ভাইকে ধন্যবাদ।
আমি আশা রাখতে চাই, রুহুল আমিন দুলাল ভাই খুব দ্রুত মঠবাড়িয়া বিএনপি’র নক্ষত্র হয়ে নেতৃত্বের কক্ষপথে ফিরবেন ইনশাআল্লাহ।
মঠবাড়িয়া বিএনপি’র তারকারা রাজনীতির গ্রহে-উপগ্রহে যার যেটুকু প্রাপ্য, সেটুকুই পাক গণতান্ত্রিক সিস্টেমে।
সুস্থ হয়ে উঠুক মঠবাড়িয়া বিএনপি।
ধন্যবাদ।
জিয়াউল ইসলাম
(বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সমর্থক)
লন্ডন।










