মঠবাড়িয়া ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ মঠবাড়িয়ায় ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর, দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার

জুলাই অভ্যুত্থান শহীদ মামুনের সন্তানের আহাজারি ‘কে আমাদের মানুষ করবে’

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের পরিবর্তনের জন্য গুলি খেয়ে বাবা প্রাণ দিয়েছেন। এখন আমরা চার এতিম ভাইবোন কার কাছে দাঁড়াব? কে আমাদের মানুষ করবে’-কথাগুলো বলছিল জুলাই-আন্দোলনে শহীদ মামুন খন্দকারের অসহায় সন্তানরা। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর খন্দকারের ছেলে মামুন খন্দকার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় গার্মেন্টস ব্যবসা করতেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট ঢাকার আশুলিয়া বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের সমর্থকদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন মামুন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মামুনের স্ত্রী সাথী খন্দকার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামুনের ভাই মাহমুদুল হাসান খন্দকার বলেন, ‘পরিবারের জন্য উপার্জন করতে ঢাকায় গিয়ে আশুলিয়ায় বসবাস করতেন মামুন। সেখানেই স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। যারা গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।’ ছোট মেয়ে তাওহিদা জানায়, ‘৪ আগস্ট বাবা বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে আর ফেরেননি। আন্দোলনের সময় আমাদের বাড়িতে লোকজন এসে হুমকি দিয়েছিল। পরে শুনতে পাই বাবা গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন। যারা বাবাকে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।’ মঠবাড়িয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাইসুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে নিহত মামুন খন্দকারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় দাফন করা হয়েছে। পরিবার বলছে, মামুন খন্দকারের মৃত্যুর পর অসহায় হয়ে পড়েছে তার চার সন্তান। এখন তাদের ভবিষ্যৎ কীভাবে গড়ে উঠবে-সেই প্রশ্নই তাদের বুক চিরে বেরিয়ে আসছে প্রতিদিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থান শহীদ মামুনের সন্তানের আহাজারি ‘কে আমাদের মানুষ করবে’

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

দেশের পরিবর্তনের জন্য গুলি খেয়ে বাবা প্রাণ দিয়েছেন। এখন আমরা চার এতিম ভাইবোন কার কাছে দাঁড়াব? কে আমাদের মানুষ করবে’-কথাগুলো বলছিল জুলাই-আন্দোলনে শহীদ মামুন খন্দকারের অসহায় সন্তানরা। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর খন্দকারের ছেলে মামুন খন্দকার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় গার্মেন্টস ব্যবসা করতেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট ঢাকার আশুলিয়া বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের সমর্থকদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন মামুন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মামুনের স্ত্রী সাথী খন্দকার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামুনের ভাই মাহমুদুল হাসান খন্দকার বলেন, ‘পরিবারের জন্য উপার্জন করতে ঢাকায় গিয়ে আশুলিয়ায় বসবাস করতেন মামুন। সেখানেই স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। যারা গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।’ ছোট মেয়ে তাওহিদা জানায়, ‘৪ আগস্ট বাবা বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে আর ফেরেননি। আন্দোলনের সময় আমাদের বাড়িতে লোকজন এসে হুমকি দিয়েছিল। পরে শুনতে পাই বাবা গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন। যারা বাবাকে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।’ মঠবাড়িয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাইসুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে নিহত মামুন খন্দকারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় দাফন করা হয়েছে। পরিবার বলছে, মামুন খন্দকারের মৃত্যুর পর অসহায় হয়ে পড়েছে তার চার সন্তান। এখন তাদের ভবিষ্যৎ কীভাবে গড়ে উঠবে-সেই প্রশ্নই তাদের বুক চিরে বেরিয়ে আসছে প্রতিদিন।