মঠবাড়িয়া ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২ মঠবাড়ীয়া মোমেনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, অংশ নিলেন সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল মঠবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের চাবি চুরির অভিযোগ :থানায় মামলা মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ : এলাকায় তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ভাইজোড়া গ্রামে গেলে উত্তেজিত পরিস্থিতি দেখা যায়।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ এনে ওই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী সোহেল ফকির এর স্ত্রী রুনা বেগম বাদী হয়ে প্রতিবেশী মুনসুর খলিফার ছেলে হোগলপাতি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আকব্বর খলিফা সহ ৬ জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

মাদ্রাসা শিক্ষক আকব্বর খলিফা বলেন, যেদিন ঘটনা দেখানো হয়েছে সেদিন কে আমি পরীক্ষার ৮ নম্বর হলে দায়িত্ব পালন করেছি । আমি কয়টার সময় কেন্দ্রে হাজির হয়েছি তাহার যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। আমাকে এবং আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যায় ভাবে আসামি করা হয়েছে।

হারুন হাওলাদার নামে মামলার অপর এক আসামী বলেন, আমি চরখালী ফেরিতে চাকরি করি। চাকরির সুবাদে চরখালি থাকি। যার যথেষ্ট সাক্ষী প্রমান রয়েছে। এখানে আমাকেও আসামি করা হয়েছে। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, রুনা বেগমরা নিজেদের ঘর নিজেরা ভাঙচুরের নাটক করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে এর উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করছি।

অভিযুক্ত এবং এ মামলার বাদি রুনা বেগম দাবি করেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষক এবং তার লোকজনরা আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করছে। এ কারণেই আমি মামলা করেছি।

স্থানীয় বাসিন্দা, সোহরাব মীর, শাজাহান ও অন্যন্যরা বলেন, সোহেল ফকির ও তার স্ত্রী রুনা বেগম কোন শালীস ব্যবস্থার তোয়াক্কা করে না । এখানে মারামারি বা ঘর ভাঙচুর অথবা অন্য কোন ঘটনা ঘটেনি। গ্রামের পরিবেশ শান্ত রাখতে আমরা প্রশাসনের কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ : এলাকায় তোলপাড়

আপডেট সময় : ১২:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ভাইজোড়া গ্রামে গেলে উত্তেজিত পরিস্থিতি দেখা যায়।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ এনে ওই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী সোহেল ফকির এর স্ত্রী রুনা বেগম বাদী হয়ে প্রতিবেশী মুনসুর খলিফার ছেলে হোগলপাতি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আকব্বর খলিফা সহ ৬ জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

মাদ্রাসা শিক্ষক আকব্বর খলিফা বলেন, যেদিন ঘটনা দেখানো হয়েছে সেদিন কে আমি পরীক্ষার ৮ নম্বর হলে দায়িত্ব পালন করেছি । আমি কয়টার সময় কেন্দ্রে হাজির হয়েছি তাহার যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে। আমাকে এবং আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যায় ভাবে আসামি করা হয়েছে।

হারুন হাওলাদার নামে মামলার অপর এক আসামী বলেন, আমি চরখালী ফেরিতে চাকরি করি। চাকরির সুবাদে চরখালি থাকি। যার যথেষ্ট সাক্ষী প্রমান রয়েছে। এখানে আমাকেও আসামি করা হয়েছে। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, রুনা বেগমরা নিজেদের ঘর নিজেরা ভাঙচুরের নাটক করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে এর উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করছি।

অভিযুক্ত এবং এ মামলার বাদি রুনা বেগম দাবি করেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষক এবং তার লোকজনরা আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করছে। এ কারণেই আমি মামলা করেছি।

স্থানীয় বাসিন্দা, সোহরাব মীর, শাজাহান ও অন্যন্যরা বলেন, সোহেল ফকির ও তার স্ত্রী রুনা বেগম কোন শালীস ব্যবস্থার তোয়াক্কা করে না । এখানে মারামারি বা ঘর ভাঙচুর অথবা অন্য কোন ঘটনা ঘটেনি। গ্রামের পরিবেশ শান্ত রাখতে আমরা প্রশাসনের কামনা করছি।