মঠবাড়িয়া ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২ মঠবাড়ীয়া মোমেনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, অংশ নিলেন সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল

পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলায় রাজাকার এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার

মোঃ ওমর হাসান
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সমন্বয়ে এক বিশাল মিলন মেলা ভান্ডারিয়ার বিহারীলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় ভান্ডারিয়ার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খান এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল মিলন মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফায়জুর রশিদ খসরু জমাদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পিরোজপুর জেলা কমান্ডের সাবেক তিন কমান্ডার যথাক্রমে গৌতম চৌধুরী, ফজলুল হক সেন্টু ও সমীর কুমার দাস বাচ্চু।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এম এ রব্বানী ফিরোজ, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাবেক কমান্ডার বাচ্চু মিয়া আকন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি এহসানুল হক হাওলাদার।
সভায় ভান্ডারিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের অর্ধ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা, তাদের সন্তানগণ এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আলবদর এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কখনো এদেশের মানুষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে দেবে না। মুক্তিযোদ্ধারা এবং তাদের সন্তানগণ বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে এখন থেকে মাঠে-ঘাটে সকল স্থানে অপশক্তির বিরুদ্ধে জনমত সৃস্টি করে যাবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ৩শ’ টাকা থেকে শুরু হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এখন ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করেছে এই সরকার। রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকরা ক্ষমতায় এলে মুক্তিযোদ্ধাদের এবং স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের প্রাণপ্রিয় শ্লোগান জয়বাংলা- জয়বঙ্গবন্ধু বলা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যাতে করে স্বাধীনতা বিরোধীদের পৃষ্ঠপোষকদের সাথে হাত না মেলায় সেদিকে সকল মুক্তিযোদ্ধার খেয়াল রাখতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের রুখে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে খুলনা ও ঢাকা থেকে আগত সংগীত ও নৃত্য শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধের গান ও নাচ পরিবেশন করেন। এ সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান শুনে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলায় রাজাকার এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের রুখে দেওয়ার অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৪:০৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সমন্বয়ে এক বিশাল মিলন মেলা ভান্ডারিয়ার বিহারীলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় ভান্ডারিয়ার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, যুদ্ধকালীন কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খান এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল মিলন মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফায়জুর রশিদ খসরু জমাদ্দার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পিরোজপুর জেলা কমান্ডের সাবেক তিন কমান্ডার যথাক্রমে গৌতম চৌধুরী, ফজলুল হক সেন্টু ও সমীর কুমার দাস বাচ্চু।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এম এ রব্বানী ফিরোজ, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাবেক কমান্ডার বাচ্চু মিয়া আকন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি এহসানুল হক হাওলাদার।
সভায় ভান্ডারিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের অর্ধ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা, তাদের সন্তানগণ এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আলবদর এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কখনো এদেশের মানুষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে দেবে না। মুক্তিযোদ্ধারা এবং তাদের সন্তানগণ বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে এখন থেকে মাঠে-ঘাটে সকল স্থানে অপশক্তির বিরুদ্ধে জনমত সৃস্টি করে যাবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ৩শ’ টাকা থেকে শুরু হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এখন ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করেছে এই সরকার। রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকরা ক্ষমতায় এলে মুক্তিযোদ্ধাদের এবং স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের প্রাণপ্রিয় শ্লোগান জয়বাংলা- জয়বঙ্গবন্ধু বলা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যাতে করে স্বাধীনতা বিরোধীদের পৃষ্ঠপোষকদের সাথে হাত না মেলায় সেদিকে সকল মুক্তিযোদ্ধার খেয়াল রাখতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের রুখে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে খুলনা ও ঢাকা থেকে আগত সংগীত ও নৃত্য শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধের গান ও নাচ পরিবেশন করেন। এ সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান শুনে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন।