মঠবাড়িয়া ১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিরুখালী রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে রেইনকোট ও ছাতা বিতরণ প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২

মঠবাড়িয়ায় সরকারি জমি দখল করে পজিশন বিক্রির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুড়া নয়াহাট বেড়িবাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জমি দখল করে পজিশন বিক্রি করা হয়েছে। একই পজিশন বারবার বিক্রি করায় বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

মঠবাড়িয়া থেকে কুমিরমারা ডৌয়াতলা বেড়িবাঁধের নয়াহাট এলাকায় ফিরোজ ও রিপন গং দীর্ঘদিন ধরে পজিশন বানিজ্যে জড়িত রয়েছেন।সাদা কাগজে দাতা গ্রহিতা এবং টাকার পরিমান লিখে তৈরি করেছেন একাধিক চুক্তিপত্র। পজিশনের জমি পরবর্তীতে ডিসিআর নেওয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয় কথিত ওই চুক্তিপত্রে।যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির কোন ডিসিআর হয়না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সূর্যমনি গ্রামের মহারাজ মৃধা,রিপন মিয়া,কহিনুর বেগম,কামাল হাওলাদার, জলিল সিকদার সহ বেশ কিছু খেঁটে খাওয়া মানুষের নিকট থেকে সরকারি জমির পজিশন বিক্রির নামে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ফিরোজ রিপন গং।স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না।

ওই প্রভাবশালী মহলটি একদিকে খালের পাড়ের সরকারি জমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় অন্যদিকে সহজ সরল ক্রেতারা প্রতারিত হয়। পজিশন বিক্রি করার পর বছর পার হতে না হতেই ক্রেতাকে হয়রানি করা হয়।কখনো হুমকি দিয়ে, কখনো থানায় অভিযোগ দিয়ে আবার কখনো বিক্রি করা পজিশন জোরপূর্বক দখল করে এ হয়রানি চালায় তারা।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিরোজপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মওলা মোঃ মেহেদী হাসান জানান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি সরকারি সম্পত্তি।কেউ দখলে নিয়ে পজিশন বা প্লট আকারে বিক্রি করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঠবাড়িয়া থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির পজিশন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওসি স্যার নিজেই সরেজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় সরকারি জমি দখল করে পজিশন বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুড়া নয়াহাট বেড়িবাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জমি দখল করে পজিশন বিক্রি করা হয়েছে। একই পজিশন বারবার বিক্রি করায় বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

মঠবাড়িয়া থেকে কুমিরমারা ডৌয়াতলা বেড়িবাঁধের নয়াহাট এলাকায় ফিরোজ ও রিপন গং দীর্ঘদিন ধরে পজিশন বানিজ্যে জড়িত রয়েছেন।সাদা কাগজে দাতা গ্রহিতা এবং টাকার পরিমান লিখে তৈরি করেছেন একাধিক চুক্তিপত্র। পজিশনের জমি পরবর্তীতে ডিসিআর নেওয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয় কথিত ওই চুক্তিপত্রে।যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির কোন ডিসিআর হয়না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সূর্যমনি গ্রামের মহারাজ মৃধা,রিপন মিয়া,কহিনুর বেগম,কামাল হাওলাদার, জলিল সিকদার সহ বেশ কিছু খেঁটে খাওয়া মানুষের নিকট থেকে সরকারি জমির পজিশন বিক্রির নামে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ফিরোজ রিপন গং।স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না।

ওই প্রভাবশালী মহলটি একদিকে খালের পাড়ের সরকারি জমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় অন্যদিকে সহজ সরল ক্রেতারা প্রতারিত হয়। পজিশন বিক্রি করার পর বছর পার হতে না হতেই ক্রেতাকে হয়রানি করা হয়।কখনো হুমকি দিয়ে, কখনো থানায় অভিযোগ দিয়ে আবার কখনো বিক্রি করা পজিশন জোরপূর্বক দখল করে এ হয়রানি চালায় তারা।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিরোজপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মওলা মোঃ মেহেদী হাসান জানান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি সরকারি সম্পত্তি।কেউ দখলে নিয়ে পজিশন বা প্লট আকারে বিক্রি করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঠবাড়িয়া থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির পজিশন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওসি স্যার নিজেই সরেজমিনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।