মঠবাড়িয়া ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ

ইউএনও’র বাসায় পড়ে থেকে নষ্ট হলো দুস্থদের খাদ্যসামগ্রী

মঠবাড়িয়া সমাচার ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩ ২১০ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসায় মিলল দুস্থদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ২৭০ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া খাদ্যসামগ্রী।

শুক্রবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ দুস্থ ও অসহায় পরিবারের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে এসব খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত সময়মতো দুস্থদের মাঝে বিতরণ না করায় খাবারের মেয়াদ শেষ ও নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউএনও’র কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২০ জুন ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন সঞ্জয় কুমার মহন্ত। গত ৭ মার্চ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় তার বদলির আদেশ হয়। তিনি দাপ্তরিক দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের বিভিন্ন সমগ্রীর সাথে দুস্থদের খাবারও বুঝিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউএনওর সরকারি বাসভবনে মজুদ রাখা দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের বস্তা ভ্যানে করে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতি বস্তায় রয়েছে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি চিড়া, ২ কেজি চিনি, ২ লিটার সয়াবিন তেল, গুড় ও ১ প্যাকেট সেমাই। বস্তার গায়ে লেখা আছে ২০২০-২১ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত এসব খাবার। ইউএনও’র বাসা থেকে খাবারের বস্তাগুলো বের করার সময় তা নজরে আসে।

ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন জানান, বদলিজনিত কারণে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্তের শেষ কর্মদিবস ছিল। চাকরির বিধি মোতাবেক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় তার বদলির আদেশ হয়েছে। তার বাসায় মজুদ রাখা দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ২৭০ বস্তা খাবার বুঝে পেয়েছি। তবে অধিকাংশ বস্তার খাবারই নষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের সভায় খাবারগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, ২০২২ সালের ২৫ জুলাই ৫০০ বস্তা খাবার বরাদ্দ পাওয়া যায়। কিন্তু এলাকায় বন্যা না হওয়ায় খাবারগুলো বিতরণ না করে বাসায় সংরক্ষণ করি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় দুস্থদের মাঝে ২৩০ বস্তা খাবার বিতরণ  করা হয়েছে। অবশিষ্ট খাবার ঈদের আগে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের মাঝে বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে বদলির আদেশ হওয়ায় তা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেছি। তবে কয়েকটি বস্তার খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউএনও’র বাসায় পড়ে থেকে নষ্ট হলো দুস্থদের খাদ্যসামগ্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩

বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসায় মিলল দুস্থদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ২৭০ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট হয়ে যাওয়া খাদ্যসামগ্রী।

শুক্রবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ দুস্থ ও অসহায় পরিবারের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে এসব খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত সময়মতো দুস্থদের মাঝে বিতরণ না করায় খাবারের মেয়াদ শেষ ও নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউএনও’র কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২০ জুন ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন সঞ্জয় কুমার মহন্ত। গত ৭ মার্চ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় তার বদলির আদেশ হয়। তিনি দাপ্তরিক দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের বিভিন্ন সমগ্রীর সাথে দুস্থদের খাবারও বুঝিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউএনওর সরকারি বাসভবনে মজুদ রাখা দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের বস্তা ভ্যানে করে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতি বস্তায় রয়েছে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি চিড়া, ২ কেজি চিনি, ২ লিটার সয়াবিন তেল, গুড় ও ১ প্যাকেট সেমাই। বস্তার গায়ে লেখা আছে ২০২০-২১ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত এসব খাবার। ইউএনও’র বাসা থেকে খাবারের বস্তাগুলো বের করার সময় তা নজরে আসে।

ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন জানান, বদলিজনিত কারণে বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্তের শেষ কর্মদিবস ছিল। চাকরির বিধি মোতাবেক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় তার বদলির আদেশ হয়েছে। তার বাসায় মজুদ রাখা দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ২৭০ বস্তা খাবার বুঝে পেয়েছি। তবে অধিকাংশ বস্তার খাবারই নষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদের সভায় খাবারগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, ২০২২ সালের ২৫ জুলাই ৫০০ বস্তা খাবার বরাদ্দ পাওয়া যায়। কিন্তু এলাকায় বন্যা না হওয়ায় খাবারগুলো বিতরণ না করে বাসায় সংরক্ষণ করি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় দুস্থদের মাঝে ২৩০ বস্তা খাবার বিতরণ  করা হয়েছে। অবশিষ্ট খাবার ঈদের আগে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের মাঝে বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে বদলির আদেশ হওয়ায় তা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেছি। তবে কয়েকটি বস্তার খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।