মঠবাড়িয়া ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিরুখালী রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে রেইনকোট ও ছাতা বিতরণ প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বামনায় আসমাতুন্নেসা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকৌশলী মিঠু ও ইসমাইল গংদের মধ্যে জমির বিরোধ : আদালতে মামলা  মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন মঠবাড়িয়ায় দস্যুতা মামলায় নলী জয়নগরের হাসান চোর গ্রেফতার মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত  মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পরিচয় পত্র জাল জালিয়াতি করে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী নিয়োগের অভিযোগ  মঠবাড়িয়া উপজেলার নব-যোগদানকৃত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মঠবাড়িয়ায় বিকাশ একাউন্টে ৩ ঘন্টায় এক কোটি টাকার লেনদেন, গ্রে’ফ’তা’র-২

মঠবাড়িয়া য়জায়গা ‘দখল’ করতে আ.লীগের সাইনবোর্ড

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

মঠবাড়িয়ায় আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠনের নামের সাইবোর্ড টানিয়ে সাফ-কবলা দলিলের জমি দখল করে দোকান ঘর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য হেলাল মুন্সীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ভেরিবাধেঁর দু’পাশের জমির ওপর জেএল নং ২৬ নাপিতখালী এস,এ খতিয়ানের ১০৪, দাগ নং-১১৯৪, ১১৯৫ রেকর্ডীয় মালিক ও অতুল চন্দ্র হালদারের কাছ থেকে সাফকবলা দলিল মূলে ৫।। শতাংশ জমি ১৯৮০ইং সনে আনোয়ার হোসেন আহসাব মেম্বার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য তিনি মালিকানা প্রাপ্ত হন। ওই জমিতে গায়ের জোড়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য হেলাল মুন্সী ৪,৫,৬ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যা মনিরা আক্তারের স্বামী শহিদুল ব্যবসায়ী জাকির জামাল মুন্সী ও মোয়াজ্জেম মেম্বারের ছেলে আলিমের নেতৃত্বে একদল লোক ২ জুন শুক্রবার ভেরিবাঁেধর উপর ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হানকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেন। ঘাপটি মেরে থাকা ভূমি দস্যুরা তার দুই দিনের মাথায় আবারও ওই জমিতে ৪ জুন রোববার ঘর উত্তোলনে পাঁয়তারা করলে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের একটি টিম সরজমিনে পরিদর্শন করলে তার সত্যতা খুঁজে পান। যে ঘটনায় মিরুখালী বাজারের সর্ব স্তরের মানুষের মাঝে দখলদারদের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক যুব লীগের সভাপতি সাকিল আহমেদ নওরোজ বলেন, ২০১০ সনে ওই খালের বাঁধ নির্মাণের ঠিকাদার আমি ছিলাম। আমার জানামতে ওই জমির একচ্ছত্র মালিক আনোয়ার হোসেন, আহসাব মেম্বার। দলীয় সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দলকে বিতর্কিত করে কতিপয় ব্যক্তি যদি কারও ভোগ দখলীয় জমি দখল করে থাকে তাহলে সেটি একটি ধিক্কারজনক অধ্যায়। হেলাল মুন্সী জানান, আমি এ দখলের ব্যাপারে জড়িত নই বরং আমি দখলদারদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। যতক্ষণে না জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন বৈধ কাগজপত্র না দেয়া হয় সে পর্যন্ত কোন কার্যক্রম চলবে না। অথচ একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অহেতুক প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সৈকত রায়হান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, ঘর উত্তোলনের বিষয়টি অবহিত হয়েছি এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়া য়জায়গা ‘দখল’ করতে আ.লীগের সাইনবোর্ড

আপডেট সময় : ০১:১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

মঠবাড়িয়ায় আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠনের নামের সাইবোর্ড টানিয়ে সাফ-কবলা দলিলের জমি দখল করে দোকান ঘর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য হেলাল মুন্সীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ভেরিবাধেঁর দু’পাশের জমির ওপর জেএল নং ২৬ নাপিতখালী এস,এ খতিয়ানের ১০৪, দাগ নং-১১৯৪, ১১৯৫ রেকর্ডীয় মালিক ও অতুল চন্দ্র হালদারের কাছ থেকে সাফকবলা দলিল মূলে ৫।। শতাংশ জমি ১৯৮০ইং সনে আনোয়ার হোসেন আহসাব মেম্বার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য তিনি মালিকানা প্রাপ্ত হন। ওই জমিতে গায়ের জোড়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য হেলাল মুন্সী ৪,৫,৬ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যা মনিরা আক্তারের স্বামী শহিদুল ব্যবসায়ী জাকির জামাল মুন্সী ও মোয়াজ্জেম মেম্বারের ছেলে আলিমের নেতৃত্বে একদল লোক ২ জুন শুক্রবার ভেরিবাঁেধর উপর ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হানকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেন। ঘাপটি মেরে থাকা ভূমি দস্যুরা তার দুই দিনের মাথায় আবারও ওই জমিতে ৪ জুন রোববার ঘর উত্তোলনে পাঁয়তারা করলে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের একটি টিম সরজমিনে পরিদর্শন করলে তার সত্যতা খুঁজে পান। যে ঘটনায় মিরুখালী বাজারের সর্ব স্তরের মানুষের মাঝে দখলদারদের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক যুব লীগের সভাপতি সাকিল আহমেদ নওরোজ বলেন, ২০১০ সনে ওই খালের বাঁধ নির্মাণের ঠিকাদার আমি ছিলাম। আমার জানামতে ওই জমির একচ্ছত্র মালিক আনোয়ার হোসেন, আহসাব মেম্বার। দলীয় সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দলকে বিতর্কিত করে কতিপয় ব্যক্তি যদি কারও ভোগ দখলীয় জমি দখল করে থাকে তাহলে সেটি একটি ধিক্কারজনক অধ্যায়। হেলাল মুন্সী জানান, আমি এ দখলের ব্যাপারে জড়িত নই বরং আমি দখলদারদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। যতক্ষণে না জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন বৈধ কাগজপত্র না দেয়া হয় সে পর্যন্ত কোন কার্যক্রম চলবে না। অথচ একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অহেতুক প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সৈকত রায়হান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, ঘর উত্তোলনের বিষয়টি অবহিত হয়েছি এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ দেয়া হয়েছে।