মঠবাড়িয়া ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ

ভান্ডারিয়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদসম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ২০২ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় দারুল হুদা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সিমাহীনর্দুণীতি সহ নানান অনিয়মের অভিযোগে সংবাদসম্মেলন করেনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান কামাল।

গতকাল ৬ জুলাই সকালে তার নিজ কার্যলয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্ল্যেখ করেন, ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ভুয়া শিক্ষা সনদ দিয়ে নদমুলা দাখিল মাদ্রাসায় চাকুরি করেন। ২০২০ সালে দারুল হুদা আদর্শ মাদ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষক পদে তথ্য গোপন করে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

কিন্তু তার এমপিও নিয়ে ৩৭০০২. ০০০০. ০১৭.৩১. ৪৭৮.২০২১-৬৯৩ স্মারক, ২৩/৫/২০২২ ইং তারিখে সহকারি পরিচালক মাধ্যমিক-২ দুর্গা রানী সিকদার এক চিঠির মাধ্যমে মো. মিজানুর রহমানের এমপিও হওয়রার সুযোগ রহিত করা হয়।

প্রাধান শিক্ষক এর এমপিও না হওয়া সত্তেও বিধি বর্হিভূতভাবে স্বপদে বহাল থেকে বর্তমান সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জহিরুল আলমের যোগ শাজোসে অবৈধ ভাবে কয়েকজন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা হাতিয়েনেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা মাত্র ১৬ জন। শিক্ষক কর্মচারি রয়েছে ১২ জন। বিদ্যালয়ের ১৭ শতাংশ জমি তাও অন্য নামে রেকর্ড তা অন্য নামে রেকর্ড হলেও নেয়া হয়নি কোন উদ্যোগ।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ভাবে নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে প্রার্থী বাচাই করা হয়েছে এতে কোন অনিয়ম হয় নাই। সাবেক সভাপতি ৩য় ৪র্থ শ্রেনী পদে তার নিজস্ব লোক নিয়োগ দিতে চেয়ে ছিল। এবং মোট অংকের টাকা দাবি করছে। যা আমাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। এ কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জহিরুল আলম জানান, আমরা একটি চিঠি পেয়েছি তবে সেটা প্রপারওয়েতে নয়। যে শিক্ষকরে বিরুদ্ধে জাল সার্টিফিকেটের অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি সত্য হলে উনি(প্রধান শিক্ষক) এর পূর্বে একটি মাদ্রাসা থেকে বিল পেল কিভাবে ? তিনি আরো বলেন, এখানে সমস্যটা হলো মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ইনডেক্সধারীদের মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অনেক সময় মানতে চায়না। তবে ম্যানেজিং কমিটি যদি মনে করে যে, ওনাকে(প্রধান শিক্ষক কে) নিজেদের অর্থায়নে রাখবেন বা বাদ দেবেন সেটা রেজুলেশন করে করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভান্ডারিয়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদসম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় দারুল হুদা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সিমাহীনর্দুণীতি সহ নানান অনিয়মের অভিযোগে সংবাদসম্মেলন করেনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান কামাল।

গতকাল ৬ জুলাই সকালে তার নিজ কার্যলয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্ল্যেখ করেন, ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ভুয়া শিক্ষা সনদ দিয়ে নদমুলা দাখিল মাদ্রাসায় চাকুরি করেন। ২০২০ সালে দারুল হুদা আদর্শ মাদ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষক পদে তথ্য গোপন করে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

কিন্তু তার এমপিও নিয়ে ৩৭০০২. ০০০০. ০১৭.৩১. ৪৭৮.২০২১-৬৯৩ স্মারক, ২৩/৫/২০২২ ইং তারিখে সহকারি পরিচালক মাধ্যমিক-২ দুর্গা রানী সিকদার এক চিঠির মাধ্যমে মো. মিজানুর রহমানের এমপিও হওয়রার সুযোগ রহিত করা হয়।

প্রাধান শিক্ষক এর এমপিও না হওয়া সত্তেও বিধি বর্হিভূতভাবে স্বপদে বহাল থেকে বর্তমান সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জহিরুল আলমের যোগ শাজোসে অবৈধ ভাবে কয়েকজন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা হাতিয়েনেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা মাত্র ১৬ জন। শিক্ষক কর্মচারি রয়েছে ১২ জন। বিদ্যালয়ের ১৭ শতাংশ জমি তাও অন্য নামে রেকর্ড তা অন্য নামে রেকর্ড হলেও নেয়া হয়নি কোন উদ্যোগ।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ভাবে নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে প্রার্থী বাচাই করা হয়েছে এতে কোন অনিয়ম হয় নাই। সাবেক সভাপতি ৩য় ৪র্থ শ্রেনী পদে তার নিজস্ব লোক নিয়োগ দিতে চেয়ে ছিল। এবং মোট অংকের টাকা দাবি করছে। যা আমাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। এ কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জহিরুল আলম জানান, আমরা একটি চিঠি পেয়েছি তবে সেটা প্রপারওয়েতে নয়। যে শিক্ষকরে বিরুদ্ধে জাল সার্টিফিকেটের অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি সত্য হলে উনি(প্রধান শিক্ষক) এর পূর্বে একটি মাদ্রাসা থেকে বিল পেল কিভাবে ? তিনি আরো বলেন, এখানে সমস্যটা হলো মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ইনডেক্সধারীদের মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অনেক সময় মানতে চায়না। তবে ম্যানেজিং কমিটি যদি মনে করে যে, ওনাকে(প্রধান শিক্ষক কে) নিজেদের অর্থায়নে রাখবেন বা বাদ দেবেন সেটা রেজুলেশন করে করতে পারেন।