ভান্ডারিয়া পৌর নির্বাচন পুলিশ প্রটোকলে স্থানীয় এমপির আচরণ বিধি লঙ্ঘন
- আপডেট সময় : ০২:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩ ২১১ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বিরুদ্ধে।
শনিবার (৮ জুলাই) বিকেলে তিনি কয়েকশ মোটর বাইক ও অর্ধ শতাধিক মাইক্রো ও প্রাইভেট কার নিয়ে পৌরসভায় শোডাউন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরকারদলীয় নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ফাইজুর রশিদ খসরু জোমাদ্দার অভিযোগ করে বলেন, শনিবার ( ৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পুলিশ প্রটোকলে ভান্ডারিয়া উপজেলার প্রবেশমুখ বটতলা মোড় থেকে শতাধিক মোটরসাইকেল ও অর্ধশত প্রাইভেট কার নিয়ে ভান্ডারিয়ায় প্রবেশ করেন।
এসময় তার সাথে থাকা কয়েকশ নেতাকর্মী জাতীয় পার্টি (জেপি)’র প্রার্থীর পক্ষে সাইকেল মার্কার স্লোগান দেয়। শত শত গাড়ি সেসময এক সাথে হর্ন দিতে থাকে। এতে পুরো পৌর শহরে এক ধরণের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রবেশ করায় ভোটে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী।
তিনি জানান, জাতীয় পার্টি-জেপির বাই সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মাহিবুল হোসেন মাহিম স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর আপন চাচাতো ভাই।
স্থানীয়দের শঙ্কা, নির্বাচনের আগে এভাবে শোডাউন চলতে থাকলে সামনে নির্বাচনী পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। এমনকি তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে পরিস্থিতি। আগামী ১৭ জুলাই ভান্ডারিয়া পৌরসভার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অব. মো. আহসান হাবিব খান বলেন, এভাবে বহর নিয়ে প্রবেশ করার এখতিয়ার সংসদ সদস্যের নেই। এটি সম্পূর্ণ আচরন বিধি লঙ্ঘন। আমরা ভিডিওটি দেখেছি এবং এ বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যা যা প্রয়োজন তাই করবে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে আমরা ঐ এমপিকে চিঠি দিবো।
নির্বাচনের মাসখানেক আগ থেকেই ভান্ডারিয়ায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি’র জেপির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা রমজানের শেষ দিকে নির্বাচনী উত্তেজনায় ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি একাধিক মামলা হয়। সে মামলায় উপজেলা জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জন কারাগারে আছেন













