মঠবাড়িয়ায় পুলিশের জব্দকৃত ৪ মন হরিণের মাংস গায়েব
- আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পুলিশের অভিযানে জব্দকৃত ৪ মন হরিণের মাংস, ইজিবাইক ও গাড়ি চালক কোথায়? পুলিশের এতোবড় সাফল্য নিয়ে প্রচারণা না থাকায় জনমনে চরম ক্ষেভোরে সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের অনুমান মাংসগুলো ভাগ-ভাটোয়া করে খেয়ে ফেলেছেন। মোটা অর্থের বিনিময় আটককৃত লোক ছেড়ে দিয়েছেন।
জানা গেছে, নিয়মিত মাদক উদ্ধারের অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালায় পুলিশ। এতে বেশ সাফল্যও আসে। এ ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই শনিবার রাতে উপজেলার শেষ সীমানা ভগিররপুর পুলিশ ফাড়ির দায়িত্বে থাকা মঠবাড়িয়া থানার এসআই আমীর হোসেন ফাড়ি সংলগ্ন স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে চেকপোষ্ট বসান। রাত ১১ টার দিকে একটি মটর সাইকেলসহ জেরিন নামে এক যুবককে ইয়াবাসহ আটক করে। এসময় স্থানীয় চা দোকানী এমাদুল হক, মটর মেকানিক রাব্বি, গ্রাম্য ডাক্তার আনোয়ার, সোহেল জমাদ্দার, স্কুল ছাত্র রায়হান সহ অসংখ্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজনকে মাদক উদ্ধারের স্বাক্ষীও করে পুলিশ। ইতোমধ্যে একটি ইজিবাইক এসে পৌছায় সেখানে। পুলিশ দেখে ইজিবাইকের যাত্রী সিটে বসে থাকা লোকজন পালিয়ে যায়। চালকসহ ইজিবাইকটি তল্লাসী করে পুলিশ। দুটি বস্তা দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাড়ি থেকে নামিয়ে হারিণের মাংস দেখতে পান। স্থানীয়রা পরে বস্তা গাড়ীতে তুলে দেন।
উপস্থিত লোকজন জানান, গাড়ি চালকের বাড়ি পার্শবর্তী ভান্ডারিয়া থানার সিংহখালী গ্রামে। ওই রাতেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে তার নাম জানা যায়নি। প্রতিটি মাংস ভর্তি বস্তা উচু করতে চার জনকে পরিশ্রম করতে হয়েছে। পরবর্তিতে মাংসগুলো এবং ইজি বাইকটির কি করেছেন, তাদের সেটা জানা নেই।
ভগিররপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল মান্নান জানান, ওই রাতে তিনি ৬ কিলোমিটার দুরে মিরুখালী বাজারে টহলরত ছিলেন। সকালে স্থানীয় লোকমুখে জানতে পেরেছেন মাংস জব্দের কথা। তিনি আরও বলেন, মাংসগুলো থানা পুলিশ নিয়ে গেছেন।
মঠবাড়িয়া থানার এসআই আমীর হোসেন হরিণের মাংস জব্দ করার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পৌর শহরের বহেরাতলা জয়নুল আবেদীন হেফজখানায় (এতিম খানা) দেয়া হয়েছে। তিনি মাংসের পরিমানের কথা উল্লেখ না করলেও ২ টি বস্তার কথা স্বীকার করেন।
জয়নুল আবেদীন হেফজখানায় হাফেজ মোঃ আদম আলী বলেন, থানা থেকে আনুমানিক ২০/২৫ কেজি মাংস দিয়ে গেছেন।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার পরিমান উল্লেখ না করে বলেন, মাংস এতিমখানায় দেয়া হয়েছে। পুলিশি উপস্থিতি বুঝে আগেই মাংস বহন করা লোকগুলো পালিয়ে গেছে। চালক গবীর হওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।













