মঠবাড়িয়া ০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গুমুক্ত গড়ার প্রত্যয়, রাজু আহম্মেদ রাজার উদ্যোগে টিকিকাটায় শুরু পরিচ্ছন্নতা অভিযান মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মঠবাড়িয়ায় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার প্রতারনার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তিমির কান্তি হালদার নামে এক ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি মোটা অংকের অর্থ নিয়ে নিজের সিল ও স্বাক্ষরিত খাজনা (কর) পরিশেধের ভুয়া (জাল) রশিদ ধরিয়ে দেন সেবা নিতে আসা উপজেলার খেতাছিড়া মৌজার জমির মালিক আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে জুয়েলের হাতে।

এ ঘটনায় জুয়েলের ভগ্নিপতি বাচ্চু মৃধা বাদী হয়ে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিকার চেয়ে অভিযাগে করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত চার মাস পূর্বে উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মৃধা, শ্যালক জুয়েলকে সাথে নিয়ে শ্বশুরের খেতাচিড়া মৌজায় সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজর টাকা গ্রহন করেন এবং দাখিলার বইতে পাতা নাই তাই দাখিলা দিতে ২/৩ দিন সময় লাগবে বলে জানান। কয়েকদিন পরে ভুক্তভোগী তার কাছে গেলে তিনি গরিমসি শুরু করেন। এক পর্যায়ে জোর তাগিদ দিলে গত ২৬ জুন একখানা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রশিদ (নং-ডি ৫৯৫৬৩১) প্রদান করেন।

যাতে বাংলা ১৪১৬ সাল হতে ১৪২৯ সাল পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। বিষয়টি বাচ্চু মৃধার সন্দেহ হলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল বাবুর কাছে গেলে তিনি যাচাই করে দেখেন তিমির কান্তি খাজনা পরিশেধের ভুয়া রশিদ তৈরী করেছেন। দাখিলার মূল কপিতে ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা এবং কার্বন কপিতে ভিন্ন নামে শুধুমাত্র ৮০ টাকা লেখা রয়েছে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি মোবাইলটি বন্ধ করে ফেলেন এবং বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়যাযা।

মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারি কমিশণার (ভূমি) সৈকত রায়হান বলেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। বিষয়টি তদান্তাধীন রয়েছে, পরবর্তিতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার প্রতারনার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তিমির কান্তি হালদার নামে এক ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি মোটা অংকের অর্থ নিয়ে নিজের সিল ও স্বাক্ষরিত খাজনা (কর) পরিশেধের ভুয়া (জাল) রশিদ ধরিয়ে দেন সেবা নিতে আসা উপজেলার খেতাছিড়া মৌজার জমির মালিক আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে জুয়েলের হাতে।

এ ঘটনায় জুয়েলের ভগ্নিপতি বাচ্চু মৃধা বাদী হয়ে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিকার চেয়ে অভিযাগে করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত চার মাস পূর্বে উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মৃধা, শ্যালক জুয়েলকে সাথে নিয়ে শ্বশুরের খেতাচিড়া মৌজায় সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজর টাকা গ্রহন করেন এবং দাখিলার বইতে পাতা নাই তাই দাখিলা দিতে ২/৩ দিন সময় লাগবে বলে জানান। কয়েকদিন পরে ভুক্তভোগী তার কাছে গেলে তিনি গরিমসি শুরু করেন। এক পর্যায়ে জোর তাগিদ দিলে গত ২৬ জুন একখানা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রশিদ (নং-ডি ৫৯৫৬৩১) প্রদান করেন।

যাতে বাংলা ১৪১৬ সাল হতে ১৪২৯ সাল পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। বিষয়টি বাচ্চু মৃধার সন্দেহ হলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল বাবুর কাছে গেলে তিনি যাচাই করে দেখেন তিমির কান্তি খাজনা পরিশেধের ভুয়া রশিদ তৈরী করেছেন। দাখিলার মূল কপিতে ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা এবং কার্বন কপিতে ভিন্ন নামে শুধুমাত্র ৮০ টাকা লেখা রয়েছে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি মোবাইলটি বন্ধ করে ফেলেন এবং বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়যাযা।

মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারি কমিশণার (ভূমি) সৈকত রায়হান বলেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। বিষয়টি তদান্তাধীন রয়েছে, পরবর্তিতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।