মঠবাড়িয়া ০২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গুমুক্ত গড়ার প্রত্যয়, রাজু আহম্মেদ রাজার উদ্যোগে টিকিকাটায় শুরু পরিচ্ছন্নতা অভিযান মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মঠবাড়িয়ায় সেই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ২২২ বার পড়া হয়েছে

গত ২৮ জুলাই বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও মঠবাড়ীয়া সমাচারসহ অনলাইন পত্রিকার “মঠবাড়িয়া সহকারি ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর সেই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সরেজমিনে তদন্তের জন্য ৩১ জুলাই সোমবার উপজেলা সহকারি কমিশণার (ভূমি) সৈকত রায়হান উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় যান। সম্প্রতি উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মৃতঃ আঃ গণি মৃধার ছেলে মোঃ বাচ্চু মৃধা সাপলেজা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে দুর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযাগে করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত চার মাস পূর্বে উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মৃধা, শ্যালক জুয়েলকে সাথে নিয়ে শ্বশুরের খেতাচিড়া মৌজায় সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজর টাকা গ্রহন করেন এবং দাখিলার বইতে পাতা নাই তাই দাখিলা দিতে ২/৩ দিন সময় লাগবে বলে জানান।

কয়েকদিন পরে ভুক্তভোগী তার কাছে গেলে তিনি গরিমসি শুরু করেন। এক পর্যায়ে জোর তাগিদ দিলে গত ২৬ জুন একখানা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রশিদ (নং-ডি ৫৯৫৬৩১) প্রদান করেন। যাহাতে বাংলা ১৪১৬ সাল হতে ১৪২৯ সাল পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। বিষয়টি বাচ্চু মৃধার সন্দেহ হলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল বাবুর কাছে গেলে তিনি যাচাই করে দেখেন তিমির কান্তি খাজনা পরিশেধের ভুয়া রশিদ তৈরী করেছেন। দাখিলার মূল কপিতে ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা এবং কার্বন কপিতে ভিন্ন নামে শুধুমাত্র ৮০ টাকা লেখা রয়েছে। ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন মোটা অংকের অর্থ নিয়েও ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার নিজের সিল ও স্বাক্ষরিত খাজনা (কর) পরিশেধের ভুয়া (জাল) রশিদ ধরিয়ে দেন।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে লাইনটি কেঁটে দেন।

মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান বলেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। গত ২৬ জুলাই তদন্তের দিন ধার্য থাকলেও উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার অসুস্থতার আবেদন করেন। বিষয়টি তদন্ত কার হচ্ছে। পরবর্তিতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় সেই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

গত ২৮ জুলাই বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও মঠবাড়ীয়া সমাচারসহ অনলাইন পত্রিকার “মঠবাড়িয়া সহকারি ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর সেই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সরেজমিনে তদন্তের জন্য ৩১ জুলাই সোমবার উপজেলা সহকারি কমিশণার (ভূমি) সৈকত রায়হান উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় যান। সম্প্রতি উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মৃতঃ আঃ গণি মৃধার ছেলে মোঃ বাচ্চু মৃধা সাপলেজা ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে দুর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযাগে করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত চার মাস পূর্বে উপজেলার জানখালী গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মৃধা, শ্যালক জুয়েলকে সাথে নিয়ে শ্বশুরের খেতাচিড়া মৌজায় সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজর টাকা গ্রহন করেন এবং দাখিলার বইতে পাতা নাই তাই দাখিলা দিতে ২/৩ দিন সময় লাগবে বলে জানান।

কয়েকদিন পরে ভুক্তভোগী তার কাছে গেলে তিনি গরিমসি শুরু করেন। এক পর্যায়ে জোর তাগিদ দিলে গত ২৬ জুন একখানা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ রশিদ (নং-ডি ৫৯৫৬৩১) প্রদান করেন। যাহাতে বাংলা ১৪১৬ সাল হতে ১৪২৯ সাল পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। বিষয়টি বাচ্চু মৃধার সন্দেহ হলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল বাবুর কাছে গেলে তিনি যাচাই করে দেখেন তিমির কান্তি খাজনা পরিশেধের ভুয়া রশিদ তৈরী করেছেন। দাখিলার মূল কপিতে ১৯ হাজার ৬৩৯ টাকা এবং কার্বন কপিতে ভিন্ন নামে শুধুমাত্র ৮০ টাকা লেখা রয়েছে। ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন মোটা অংকের অর্থ নিয়েও ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার নিজের সিল ও স্বাক্ষরিত খাজনা (কর) পরিশেধের ভুয়া (জাল) রশিদ ধরিয়ে দেন।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে লাইনটি কেঁটে দেন।

মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান বলেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। গত ২৬ জুলাই তদন্তের দিন ধার্য থাকলেও উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদার অসুস্থতার আবেদন করেন। বিষয়টি তদন্ত কার হচ্ছে। পরবর্তিতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।