মঠবাড়িয়া ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের অনিয়ম তুঙ্গে”সরকারের খরচ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩ ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া নেহাল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষকদের অনিয়ম তুঙ্গে। যার ফলে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী প্রায় শুণ্যের কোঠায় চলে এসেছে। অথচ এ প্রতিষ্ঠানে ১২ জন শিক্ষক, ১ জন অফিস সহকারি ও ৪ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পেছনে সরকার প্রতি মাসে খরচ বহণ করছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। এটাকে নেহাত রাস্ট্রীয় অর্থ অপচয় বলছেন সকলেই।

সরেজমিনে সকাল সাড়ে ১১ টায় গিয়ে ওই মাদ্রাসায় কোন শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। ১৭ শিক্ষক- কর্মচারীদের মধ্যে ২ জন শিক্ষক ও ২ জন কর্মচারী পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে এ মাদ্রাসায় সবোর্চ্চ ২০ জন শিক্ষার্থী লেখাপাড়া করছে। শিক্ষকদের অনিয়মিত পাঠদান, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বহু বছর আগেই ঝড়ে পরেছে শিক্ষার্থীরা, ভেঙে পরেছে শিক্ষা ব্যবস্থা।

ইবতেদায়ী প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান প্রথমে দাবী করেন তাদের ৬০ জন শিক্ষর্থী রয়েছে। হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে অপ্রস্তুত হয়ে পরেন। কতজন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাব তিনি ২২ জনের কথা বললেও মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থীর খাতা দেখাতে পেরেছেন।

মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মোঃ আনিসুর রহমানকে মাদ্রাসায় পাওয়া যায়নি। এ ব্যপারে তার সাথে কথা বলার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বাদশা মাদ্রাসার দৈন্যদশার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসাটি স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যপারে বক্তব্য নেয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল খায়ের এর মুঠোফোনে একাধিক কল করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ূম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যব

স্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের অনিয়ম তুঙ্গে”সরকারের খরচ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া নেহাল উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষকদের অনিয়ম তুঙ্গে। যার ফলে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী প্রায় শুণ্যের কোঠায় চলে এসেছে। অথচ এ প্রতিষ্ঠানে ১২ জন শিক্ষক, ১ জন অফিস সহকারি ও ৪ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পেছনে সরকার প্রতি মাসে খরচ বহণ করছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। এটাকে নেহাত রাস্ট্রীয় অর্থ অপচয় বলছেন সকলেই।

সরেজমিনে সকাল সাড়ে ১১ টায় গিয়ে ওই মাদ্রাসায় কোন শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। ১৭ শিক্ষক- কর্মচারীদের মধ্যে ২ জন শিক্ষক ও ২ জন কর্মচারী পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে এ মাদ্রাসায় সবোর্চ্চ ২০ জন শিক্ষার্থী লেখাপাড়া করছে। শিক্ষকদের অনিয়মিত পাঠদান, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বহু বছর আগেই ঝড়ে পরেছে শিক্ষার্থীরা, ভেঙে পরেছে শিক্ষা ব্যবস্থা।

ইবতেদায়ী প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান প্রথমে দাবী করেন তাদের ৬০ জন শিক্ষর্থী রয়েছে। হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে অপ্রস্তুত হয়ে পরেন। কতজন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাব তিনি ২২ জনের কথা বললেও মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থীর খাতা দেখাতে পেরেছেন।

মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মোঃ আনিসুর রহমানকে মাদ্রাসায় পাওয়া যায়নি। এ ব্যপারে তার সাথে কথা বলার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বাদশা মাদ্রাসার দৈন্যদশার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসাটি স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যপারে বক্তব্য নেয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল খায়ের এর মুঠোফোনে একাধিক কল করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ূম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যব

স্থা নেয়া হবে।