মঠবাড়িয়া ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

মঠবাড়িয়ায় অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদে প্রশাসন কঠোর অবস্থনে : আতঙ্কে দখলদাররা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

অর্ধ শতাধিক অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদে প্রশাসন কঠোর অবস্থনে : আতঙ্কে দখলদাররা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সরকারী বাসভবন থাকলেও বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় তিনি থাকেন ভাড়া বাসায়। বাসভবনটি অবৈধ দখলবাজদের দখলে তাস, জুয়া, মলমূত্র ত্যাগসহ নেশাগ্রস্থদের নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। বাসভবনটি সংষ্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ কাজেও রয়েছে নানা জটিলতা। সরকারি বাসভবনে যাতায়তের পথ রুদ্ধকরে তৈরি করা হয়েছে দোকাপাট। ফলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জীবনের ঝুকি নিয়ে মঠবাড়িয়া শহর থেকে কিছুটা দুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বাসভবনের জন্য নির্ধারিত ১ নং খাস খতিয়ান ভূক্ত ১ একর জমির মধ্যে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ২০১২ সালে তৎকালীন সাংসদ ডাঃ আনোয়ার হোসেন ও প্রশাসনের যোগসাজসে অবৈধ দখলবাজরা বাস ভবনের সামনে সারিবদ্ধ দোকান ও ভিতরে অবৈধ ভিটি, দোকান, ঝুপরি ঘরসহ নানা স্থাপণা নির্মান করে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ মোটা অর্থের বিনিময় দোকানের মালিকানা বিক্রিও করেছে।

এদিকে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ূম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান জিরো টলারেন্স ভূমিকায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে শহরে অসংখ্য খাস জমি, খাল, পুকুর, ইটভাটা ধ্বংস, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাসহ রাঘব বোয়ালের দখলে থাকা সরকারী জমি উদ্ধার শুরু করেছে। এতে সচেতণ মহলের প্রসংসায় ভাসছেন উপজেলা প্রশাসন।

গুঞ্জন উঠেছে অচীরেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বাস ভবনের জমি দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করা হবে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন অবৈধ জমিতে ব্যবসারত দোকান মালিকরা। কেউ কেউ হেভিওয়েট নেতাদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মিনিময়ে ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে সূত্র জানায়। আবার এও গুঞ্জন উঠেছে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার প্রস্তুতিও গ্রহন করতে যাচ্ছে কেউ-কেউ।

এদিকে স্থানীয় সাংসদ শামীম শাহনেওয়াজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মঠবাড়িয়াকে নিরাপদ বিনির্মানের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশণার (ভূমি) স্বাধীন ভাবে কাজ করছেন।

সদস্য শামীম শাহনেওয়াজ বলেন, জন কল্যাণে সরকারী কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে। প্রশাসনকে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ূম বলেন, জন কল্যাণে সরকারী নির্দেশনা পালনের একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারো প্ররোচনায় কিংবা কোন অপশক্তি আমার দায়িত্ব থেকে দুরে সরাতে পারবে না। গত তিন যুগেরও বেশী সময় ধরে মঠবাড়িয়ার অসংখ্য সরকারী জমি,খাল, নদী, জলাশয় অবৈধ দখলবাজদের কবলে রয়েছে। যার ফলে জনজীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদে প্রশাসন কঠোর অবস্থনে : আতঙ্কে দখলদাররা

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অর্ধ শতাধিক অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ স্থাপণা উচ্ছেদে প্রশাসন কঠোর অবস্থনে : আতঙ্কে দখলদাররা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সরকারী বাসভবন থাকলেও বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় তিনি থাকেন ভাড়া বাসায়। বাসভবনটি অবৈধ দখলবাজদের দখলে তাস, জুয়া, মলমূত্র ত্যাগসহ নেশাগ্রস্থদের নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। বাসভবনটি সংষ্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ কাজেও রয়েছে নানা জটিলতা। সরকারি বাসভবনে যাতায়তের পথ রুদ্ধকরে তৈরি করা হয়েছে দোকাপাট। ফলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জীবনের ঝুকি নিয়ে মঠবাড়িয়া শহর থেকে কিছুটা দুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বাসভবনের জন্য নির্ধারিত ১ নং খাস খতিয়ান ভূক্ত ১ একর জমির মধ্যে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ২০১২ সালে তৎকালীন সাংসদ ডাঃ আনোয়ার হোসেন ও প্রশাসনের যোগসাজসে অবৈধ দখলবাজরা বাস ভবনের সামনে সারিবদ্ধ দোকান ও ভিতরে অবৈধ ভিটি, দোকান, ঝুপরি ঘরসহ নানা স্থাপণা নির্মান করে। ইতিমধ্যে কেউ কেউ মোটা অর্থের বিনিময় দোকানের মালিকানা বিক্রিও করেছে।

এদিকে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ূম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান জিরো টলারেন্স ভূমিকায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে শহরে অসংখ্য খাস জমি, খাল, পুকুর, ইটভাটা ধ্বংস, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাসহ রাঘব বোয়ালের দখলে থাকা সরকারী জমি উদ্ধার শুরু করেছে। এতে সচেতণ মহলের প্রসংসায় ভাসছেন উপজেলা প্রশাসন।

গুঞ্জন উঠেছে অচীরেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বাস ভবনের জমি দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করা হবে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন অবৈধ জমিতে ব্যবসারত দোকান মালিকরা। কেউ কেউ হেভিওয়েট নেতাদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের মিনিময়ে ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে সূত্র জানায়। আবার এও গুঞ্জন উঠেছে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার প্রস্তুতিও গ্রহন করতে যাচ্ছে কেউ-কেউ।

এদিকে স্থানীয় সাংসদ শামীম শাহনেওয়াজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মঠবাড়িয়াকে নিরাপদ বিনির্মানের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশণার (ভূমি) স্বাধীন ভাবে কাজ করছেন।

সদস্য শামীম শাহনেওয়াজ বলেন, জন কল্যাণে সরকারী কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে। প্রশাসনকে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ূম বলেন, জন কল্যাণে সরকারী নির্দেশনা পালনের একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারো প্ররোচনায় কিংবা কোন অপশক্তি আমার দায়িত্ব থেকে দুরে সরাতে পারবে না। গত তিন যুগেরও বেশী সময় ধরে মঠবাড়িয়ার অসংখ্য সরকারী জমি,খাল, নদী, জলাশয় অবৈধ দখলবাজদের কবলে রয়েছে। যার ফলে জনজীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।