মঠবাড়িয়ায় ভাই ভাই স-মিলে দুর্বৃত্তদের আগুন
- আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গভীর রাতে ভাই ভাই স-মিলে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ১৮ ফেব্রুয়ারী রবিবার দিবাগত রাত পাঁচটার দিকে উপজেলার ধানীসাফা বাজার সংলগ্ন আলহাজ্ব মোঃ আঃ রাজ্জাক (সোহাগ) এর স-মিলে ঘটেছে। খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী আলহাজ্ব মোঃ আঃ রাজ্জাক (সোহাগ) এর ভাই ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা হাজী মোঃ মাসুদ রানা মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলহাজ্ব মোঃ আঃ রাজ্জাক (সোহাগ) ধানীসাফা বাজার সংলগ্ন দীর্ঘদিন যাবত ভাই ভাই স-মিল পরিচালনা করে আসছেন। আলহাজ্ব মোঃ আঃ রাজ্জাক (সোহাগ) দুরে থাকায় উক্ত স-মিলের দেখাশোনা করেন তার ভাই ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা হাজী মোঃ মাসুদ রানা। উক্ত স-মিলের আয়ের টাকা দিয়ে কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী একটি নিজস্ব “ধানীসাফা হোসাইনিয়া নূরানী হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিম খানা” পরিচালনা করেন। এহেন ঘটনা সম্পর্কে মাদরাসার পরিচালক ও ছাত্ররা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনা সম্পর্কে ভুক্তভোগী আলহাজ্ব মোঃ আঃ রাজ্জাক (সোহাগ) এর ভাই ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা হাজী মোঃ মাসুদ রানা বলেন, সাফা বাজারে আমার ব্যবসা রয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় ব্যবসায়ীক দোকান বন্ধ করে আমি রাতে বাসায় যাই এবং ঘুমিয়ে পরি। ভোররাত পাঁচটার দিকে আমার ফোনে মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মোঃ ইব্রাহিম কল দেয়। তখন গিয়ে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলে। পরে মঠবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের লোকজনদের কল দেই, তারা এসে পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। এতে প্রায় ৪/৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পেছনের যে কোন ধরনের শত্রুতার কারনে এহেন ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি। তিনি আরও বলেন আমাদের এই স-মিলের উপার্জনের অর্থ দিয়ে কর্মচারী ও মাদরাসা পরিচালনা করা হয়। আমাদের সাথে এমন ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করানো হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে, শিঘ্রই অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।













