মঠবাড়িয়া ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

মঠবাড়িয়া ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ”ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪ ১৬০ বার পড়া হয়েছে
ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযো মঠবাড়িয়ায় বিক্ষুব্ধ জেলেরা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মৎস্য সংরক্ষণ মৌসুমে কর্মহীন জেলেদের পুনর্বাসনের চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নে এক মাসের ভিজিএফ ৪০ কেজি চালের স্থলে প্রত্যেক জেলে ৫/৬ কেজি চাল ওজনে কম পেয়েছেন বলে তারা অভিযোগ করেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনভর বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ইনটেক ত্রিশ কেজি ওজনের বস্তা খুলে ওজন মাপা যন্ত্র ছাড়াই বালতি দিয়ে মেপে জেলেদের বস্তায় ভরে দিচ্ছেন চাল। ৮৯০ জন জেলের জনপ্রতি মার্চ মাসে ৪০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে প্রতি জেলে পরিবারের মাঝে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনে কম দিয়ে বিতরণ করেছেন। এতে জেলেদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জেলেরা ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সাংবাদিকদের অবহিত করেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ওজন করে দেখা যায় উলুবাড়িয়া গ্রামের মান্নান বিশ্বাসের ছেলে আলম বিশ্বাস চাল ৪০ কেজির পরিবর্তে ৩৪ কেজি পেয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন আকন ৫ কেজি করে চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা জনপ্রতি জেলেকে ৪০ কেজির পরিবর্তে ৩৮ কেজি চাল বিতরণ করছি। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, বস্তায় চাল ঘাটতি, শ্রমিকদের মজুরির জন্য কিছু চাল কম দিতে হচ্ছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কার্ডধারী জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান কম দিয়েছে সেটা আমার জানা নেই।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান জানান, চাল কম দেওয়ার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়া ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ”ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪
ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযো মঠবাড়িয়ায় বিক্ষুব্ধ জেলেরা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মৎস্য সংরক্ষণ মৌসুমে কর্মহীন জেলেদের পুনর্বাসনের চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নে এক মাসের ভিজিএফ ৪০ কেজি চালের স্থলে প্রত্যেক জেলে ৫/৬ কেজি চাল ওজনে কম পেয়েছেন বলে তারা অভিযোগ করেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনভর বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ইনটেক ত্রিশ কেজি ওজনের বস্তা খুলে ওজন মাপা যন্ত্র ছাড়াই বালতি দিয়ে মেপে জেলেদের বস্তায় ভরে দিচ্ছেন চাল। ৮৯০ জন জেলের জনপ্রতি মার্চ মাসে ৪০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে প্রতি জেলে পরিবারের মাঝে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনে কম দিয়ে বিতরণ করেছেন। এতে জেলেদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জেলেরা ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সাংবাদিকদের অবহিত করেন। সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ওজন করে দেখা যায় উলুবাড়িয়া গ্রামের মান্নান বিশ্বাসের ছেলে আলম বিশ্বাস চাল ৪০ কেজির পরিবর্তে ৩৪ কেজি পেয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন আকন ৫ কেজি করে চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা জনপ্রতি জেলেকে ৪০ কেজির পরিবর্তে ৩৮ কেজি চাল বিতরণ করছি। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, বস্তায় চাল ঘাটতি, শ্রমিকদের মজুরির জন্য কিছু চাল কম দিতে হচ্ছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কার্ডধারী জেলেদের প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান কম দিয়েছে সেটা আমার জানা নেই।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হান জানান, চাল কম দেওয়ার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।