মঠবাড়িয়া ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

মঠবাড়িয়া বৃষ্টির জন্য কাঁদলেন মুসল্লিরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পশ্চিম টিকিকাটা গ্রামে ইসতিসকার নামাজ আদায়।

প্রচণ্ড দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। বৃষ্টি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে ফসল। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিও ছাড়িয়ে যাচ্ছে কোথাও কোথাও। নেমে গেছে পানির স্তর। দেখা দিয়েছে পানির তীব্র সংকট। রোদ আর গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জরুরি প্রয়োজনে যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারাও পড়ছেন বেশ অস্বস্তিতে। রোদ ও গরমের তীব্রতার সঙ্গে বাড়ছে মানুষের বিভিন্ন রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক কর্মচঞ্চলতা। এক পশলা বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছে সারা দেশের মানুষ। এমতাবস্থায় বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পশ্চিম টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর খোলা আকাশের নিচে ফাঁকা মাঠে বিশেষ এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ওই নামাজে টিকিকাটা গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।

এ বিষয় মঠবাড়িয়া দক্ষিণ বন্দর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা শাহ জালাল বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া সুন্নাত। আর চাওয়াকে আরবিতে সালাতুল ইসতিসকার বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা।

নামাজে অংশ নেওয়া মঠবাড়িয়া টিকিকাটা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, আমার জীবনে রোদের তাপ এত দেখিনি। ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও থাকা যাচ্ছে না। ফ্যানের বাতাসেও কাজ হচ্ছে না। কৃষির ওপর আমাদের এলাকার সবাই নির্ভর করে। ধানের বীজের বয়স বেড়ে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কঠিন সময় অতিক্রম করছি আমরা। বাসার বাইরে কাজ করতে যেতে পারতেছি না।

আরেক মুসল্লি মোহাম্মদ আবুল কালাম কালবেলাকে বলেন, আমরা কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। বৃষ্টির কারণে আমরা আমন রোপণ করতে পারছি না। এই গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই বৃষ্টির জন্য আমরা নামাজ আদায় ও দোয়া করলাম। তা ছাড়া অনেক দিনমজুর কাজে যেতে পারছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়া বৃষ্টির জন্য কাঁদলেন মুসল্লিরা

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পশ্চিম টিকিকাটা গ্রামে ইসতিসকার নামাজ আদায়।

প্রচণ্ড দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। বৃষ্টি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে ফসল। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিও ছাড়িয়ে যাচ্ছে কোথাও কোথাও। নেমে গেছে পানির স্তর। দেখা দিয়েছে পানির তীব্র সংকট। রোদ আর গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জরুরি প্রয়োজনে যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারাও পড়ছেন বেশ অস্বস্তিতে। রোদ ও গরমের তীব্রতার সঙ্গে বাড়ছে মানুষের বিভিন্ন রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক কর্মচঞ্চলতা। এক পশলা বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছে সারা দেশের মানুষ। এমতাবস্থায় বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পশ্চিম টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর খোলা আকাশের নিচে ফাঁকা মাঠে বিশেষ এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ওই নামাজে টিকিকাটা গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।

এ বিষয় মঠবাড়িয়া দক্ষিণ বন্দর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা শাহ জালাল বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া সুন্নাত। আর চাওয়াকে আরবিতে সালাতুল ইসতিসকার বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা।

নামাজে অংশ নেওয়া মঠবাড়িয়া টিকিকাটা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, আমার জীবনে রোদের তাপ এত দেখিনি। ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও থাকা যাচ্ছে না। ফ্যানের বাতাসেও কাজ হচ্ছে না। কৃষির ওপর আমাদের এলাকার সবাই নির্ভর করে। ধানের বীজের বয়স বেড়ে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কঠিন সময় অতিক্রম করছি আমরা। বাসার বাইরে কাজ করতে যেতে পারতেছি না।

আরেক মুসল্লি মোহাম্মদ আবুল কালাম কালবেলাকে বলেন, আমরা কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। বৃষ্টির কারণে আমরা আমন রোপণ করতে পারছি না। এই গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই বৃষ্টির জন্য আমরা নামাজ আদায় ও দোয়া করলাম। তা ছাড়া অনেক দিনমজুর কাজে যেতে পারছেন না।