মঠবাড়িয়া ১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

মঠবাড়িয়ায় চার বছরেও শেষ হয়নি ১৮ মাসের সেতুর নির্মাণ কাজ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হলতা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর নকশা জটিলতায় চার বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে। একটি সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তিতে দুটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হলেও চার বছর ধরে কাজ বন্ধ আছে। এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। কাজ বন্ধ থাকার কারণে উপজেলার নলী জয়নগর গ্রাম ও পাশের বরগুনার পাথরঘাটার নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়ন বলেশ্বর নদ থেকে শুরু হয়ে হলতা নদী মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে চলে গেছে। হলতা নদীর দুই তীর ভরাট হয়ে সরু হয়ে গেছে। নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন সেতু কাজ শুরু হয়ে থেমে আছে। নদীর দুই তীরে শুধু সেতুর পাইলের কাজ করা হয়েছে। নির্মাণাধীন সেতুর পাশে সাঁকো তৈরি করে মানুষ চলাচল করছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধির কারণে সাঁকো দিয়ে চলতে অসুবিধা হচ্ছে। সাঁকোটি পুরোনো হয়ে যাওয়ায় যে কোনো সময় এটি ভেঙে যেতে পারে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলী জয়নগর গ্রামের হলতা নদীর ওপর ৩৯ মিটার দৈর্ঘের গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর পিরোজপুরের আবির অ্যান্ড সর্দার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজের মেয়াদ ছিল ১৮ মাস। ২০২২ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের শেষ দিকে সেতুটির নির্মাণ কাজ ৩৫ ভাগ শেষ হওয়ার পর নকশা জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাই বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগের রেটে কাজ করতে না চাওয়ায় তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। বর্তমানে মঠবাড়িয়ার তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আগের ডিজাইন করা সেতু অনেক নিচু হয়ে যায়। জাহাজ চলাচল করতে অসুবিধা হবে। এসব কারণে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া কিছুটা টেন্ডার জটিলতাও ছিল। আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। আবার নতুন নকশা করে তিন ফুট উঁচু ডিজাইন করে টেন্ডার দিয়েছি। তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে, তারা অল্পের ভেতরেই কাজ শুরু করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়ায় চার বছরেও শেষ হয়নি ১৮ মাসের সেতুর নির্মাণ কাজ

আপডেট সময় : ১১:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হলতা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর নকশা জটিলতায় চার বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে। একটি সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তিতে দুটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হলেও চার বছর ধরে কাজ বন্ধ আছে। এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। কাজ বন্ধ থাকার কারণে উপজেলার নলী জয়নগর গ্রাম ও পাশের বরগুনার পাথরঘাটার নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়ন বলেশ্বর নদ থেকে শুরু হয়ে হলতা নদী মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে চলে গেছে। হলতা নদীর দুই তীর ভরাট হয়ে সরু হয়ে গেছে। নাচনাপাড়া রশিদিয়া বন্দর বাজার সংলগ্ন সেতু কাজ শুরু হয়ে থেমে আছে। নদীর দুই তীরে শুধু সেতুর পাইলের কাজ করা হয়েছে। নির্মাণাধীন সেতুর পাশে সাঁকো তৈরি করে মানুষ চলাচল করছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধির কারণে সাঁকো দিয়ে চলতে অসুবিধা হচ্ছে। সাঁকোটি পুরোনো হয়ে যাওয়ায় যে কোনো সময় এটি ভেঙে যেতে পারে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলী জয়নগর গ্রামের হলতা নদীর ওপর ৩৯ মিটার দৈর্ঘের গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর পিরোজপুরের আবির অ্যান্ড সর্দার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজের মেয়াদ ছিল ১৮ মাস। ২০২২ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের শেষ দিকে সেতুটির নির্মাণ কাজ ৩৫ ভাগ শেষ হওয়ার পর নকশা জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাই বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগের রেটে কাজ করতে না চাওয়ায় তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা হয়। বর্তমানে মঠবাড়িয়ার তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আগের ডিজাইন করা সেতু অনেক নিচু হয়ে যায়। জাহাজ চলাচল করতে অসুবিধা হবে। এসব কারণে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া কিছুটা টেন্ডার জটিলতাও ছিল। আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। আবার নতুন নকশা করে তিন ফুট উঁচু ডিজাইন করে টেন্ডার দিয়েছি। তহিদুল বাশার কবির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে, তারা অল্পের ভেতরেই কাজ শুরু করবে।