মঠবাড়িয়া ১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ার রাজ মন্দিরে দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা”এক আঙিনায় ১৬০ প্রতিমা” মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া মারামারির বিষয় নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সালমা বেগম নামে এক নারী। এ সময় সালমা বেগম বলেন আমার বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ভেচকী গ্রামে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে কে বা কাহারা আমার বংশের চাচা নুর আলম খান সহ ৪/৫ জনকে কুপিয়ে আহত করেন। সেই ঘটনায় আমার মেঝো চাচা ইউসুফ খানের সাথে পূর্ব বিরোধের জের থাকায় শত্রুতার কারণে আমার বাবা ইউনুচ খান চাচাতো ভাই আরিফ খান সহ বেশ কয়েক জনকে জরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেন এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার পায়তারা চালান।

মূল ঘটনা হচ্ছে আমার ছোট চাচা ইলিয়াস খান দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা অবস্থায় মেজ চাচা ইউসুফ খান তার ছেলে ইব্রাহিম খান, রায়হান খান, মেয়ে জামাই মাহফুজ মাতুব্বর ওরফে আলআমিনকে বিদেশে নেয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় অর্থ সহযোগিতার মাধ্যমে সর্বমোট ১৪ লক্ষ টাকা দেন।

এদিকে ছোট চাচা ইলিয়াস খান গত মার্চ মাসের দিকে বাড়িতে আসেন। পরে চাচা ইলিয়াস খান মেঝো চাচাকে দেওয়া পাওনা টাকা চাইতে গেলে ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে মারধর করেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে আমার চাচা ইলিয়াস খান মঠবাড়িয়া সেনাবাহিনী ক্যাম্প কমান্ডারের বরাবর লিখত অভিযোগ করেন এবং সাংবাদিকরা সংবাদ পরিবেশন করেন।

এদিকে আমার বাবা ইউনুচ খানকে মেজো চাচা ইউসুফ খান পরিকল্পিত ভাবে একটি মিথ্যা মামলায় জরিয়ে দেন। যার কারণে আমার বাবা দীর্ঘ ৪ বছর জেল হাজতে ছিলেন। এই সুযোগে আমার মেজ চাচা ইউসুফ খান আমার বাবার অনুপস্থিতিতে আমাদের পালিত ৪ টি গরু, ধান, টাকা পয়সা সহ বসতঘরের মালামাল লুটপাট করেন। যাহার মূল্য আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকা।

এমনকি আমার মাকেও বিভিন্ন হুমকি দামকি দিয়ে আমাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। যাহার কারণে গতকাল রাত্রের ঘটনায় আমার বাবা ইউনুস খান ও চাচাতো ভাই আরিফ কে মিথ্যা মামলা দেওয়ার পায়তারা চালায়।অথচ ঘটনার দিন রাতে আমার বাবা ইউনুস খান ছিলো আমাদের বসতঘরে এবং আমার চাচাতো ভাই আরিফ খান স্থানীয় একটি বিদ্যালয় দশম শ্রেণির ছাত্র এবং সে তার পড়ার টেবিলে ছিলো।

বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে পারেন। আমার ছোট চাচা ইলিয়াস খান তাহার অন্য ভাইদের পরিবারের লোকজনকে প্রবাসে নেয়া সহ তাহার ৩৮ বছর বয়সেও বিবাহ করতে পারেন নাই। ছোট চাচা ইলিয়াস খান একজন ভালো মনের মানুষ। তাহার বিষয়ে আপনারা এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

তাই এমতাবস্থায় আমার বাবা ও চাচার পাওনা টাকা যাতে পরিশোধ করা হয় এবং তাদের হয়রানি থেকে বাঁচতে পারি সে বিষয় প্রশাসনের সকল মহলের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান সালমা বেগম।

এ বিষয় মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রাজিব জানান, মারামারির ঘটনা শুনেছি, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া মারামারির বিষয় নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য সালমা বেগম নামে এক নারী। এ সময় সালমা বেগম বলেন আমার বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ভেচকী গ্রামে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে কে বা কাহারা আমার বংশের চাচা নুর আলম খান সহ ৪/৫ জনকে কুপিয়ে আহত করেন। সেই ঘটনায় আমার মেঝো চাচা ইউসুফ খানের সাথে পূর্ব বিরোধের জের থাকায় শত্রুতার কারণে আমার বাবা ইউনুচ খান চাচাতো ভাই আরিফ খান সহ বেশ কয়েক জনকে জরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেন এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার পায়তারা চালান।

মূল ঘটনা হচ্ছে আমার ছোট চাচা ইলিয়াস খান দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা অবস্থায় মেজ চাচা ইউসুফ খান তার ছেলে ইব্রাহিম খান, রায়হান খান, মেয়ে জামাই মাহফুজ মাতুব্বর ওরফে আলআমিনকে বিদেশে নেয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় অর্থ সহযোগিতার মাধ্যমে সর্বমোট ১৪ লক্ষ টাকা দেন।

এদিকে ছোট চাচা ইলিয়াস খান গত মার্চ মাসের দিকে বাড়িতে আসেন। পরে চাচা ইলিয়াস খান মেঝো চাচাকে দেওয়া পাওনা টাকা চাইতে গেলে ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে মারধর করেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে আমার চাচা ইলিয়াস খান মঠবাড়িয়া সেনাবাহিনী ক্যাম্প কমান্ডারের বরাবর লিখত অভিযোগ করেন এবং সাংবাদিকরা সংবাদ পরিবেশন করেন।

এদিকে আমার বাবা ইউনুচ খানকে মেজো চাচা ইউসুফ খান পরিকল্পিত ভাবে একটি মিথ্যা মামলায় জরিয়ে দেন। যার কারণে আমার বাবা দীর্ঘ ৪ বছর জেল হাজতে ছিলেন। এই সুযোগে আমার মেজ চাচা ইউসুফ খান আমার বাবার অনুপস্থিতিতে আমাদের পালিত ৪ টি গরু, ধান, টাকা পয়সা সহ বসতঘরের মালামাল লুটপাট করেন। যাহার মূল্য আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকা।

এমনকি আমার মাকেও বিভিন্ন হুমকি দামকি দিয়ে আমাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। যাহার কারণে গতকাল রাত্রের ঘটনায় আমার বাবা ইউনুস খান ও চাচাতো ভাই আরিফ কে মিথ্যা মামলা দেওয়ার পায়তারা চালায়।অথচ ঘটনার দিন রাতে আমার বাবা ইউনুস খান ছিলো আমাদের বসতঘরে এবং আমার চাচাতো ভাই আরিফ খান স্থানীয় একটি বিদ্যালয় দশম শ্রেণির ছাত্র এবং সে তার পড়ার টেবিলে ছিলো।

বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে পারেন। আমার ছোট চাচা ইলিয়াস খান তাহার অন্য ভাইদের পরিবারের লোকজনকে প্রবাসে নেয়া সহ তাহার ৩৮ বছর বয়সেও বিবাহ করতে পারেন নাই। ছোট চাচা ইলিয়াস খান একজন ভালো মনের মানুষ। তাহার বিষয়ে আপনারা এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

তাই এমতাবস্থায় আমার বাবা ও চাচার পাওনা টাকা যাতে পরিশোধ করা হয় এবং তাদের হয়রানি থেকে বাঁচতে পারি সে বিষয় প্রশাসনের সকল মহলের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান সালমা বেগম।

এ বিষয় মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রাজিব জানান, মারামারির ঘটনা শুনেছি, তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।