মঠবাড়িয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে সেবা ব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৭:৪৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার সংকটের কারণে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করায় হাসপাতালের পরিত্যাক্ত আবাসিক কোয়াটারে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম ।

উপজেলার সীমান্তবর্তী উপকূলীয় পাথরঘাটা, বামনা, শরনখোলা উপজেলার প্রায় ৫ লাখ মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বদলি জনিত কারণে ডাক্তার সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারের ৩০টি পদের বিপরীতে অবাসিক মেডিকেল অফিসারসহ ৫/৬ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, অর্থোপেডিক্স, গাইনি, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, এনেসস্থেসিষ্ট, শিশু ও চক্ষুসহ ২২টি চিকিৎসকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।
সরেজমিনে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়। ফলে চিকিৎসা না নিয়েই আনেক রোগিকে চলে যেতে হচ্ছে।

চিকিৎসক ছাড়াও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছে মাএ ১ জন। এক্স-রে মেশিন পরিচালনার জন্য কোনো টেকনোলজিস্ট না থাকায় কতৃপক্ষ এক্স-রে মেসিনটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে রোগীরা পড়ছে ভোগান্তিতে। তাছাড়া প্যাথলজি বিভাগের কর্মচারী না থাকায় রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে মঠবাড়িয়াসহ পার্শ্ববর্তী বামনা, পাথরঘাটা, শরনখোলা উপজেলার হাজার হাজার রোগীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফেরদৌস ইসলাম বলেন ডাক্তার সংকটের কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন উপজেলার আউটডোরে প্রতিদিন গড়ে ৬/৭ শত রোগীর চিকিৎসা দিতে হয়। আমাকে বাদে ৭ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৩ জন নারী চিকিৎসক যাদের রাত্রীকালীন ডিউটি দেওয়া হয় না।

এর মধ্যে ৪ জন পুরুষ ডাক্তার রাত্রীকালিন ডিউটিসহ আউটডোর ও ইনডোরের দায়িত্ব পালন করে ৫০ শয্যা হাসপাতাল চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
তিনি আরও বলেন গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২৩ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ইতোমধ্যে পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন ভবনের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, কর্মকর্তা কর্মচারীরা জরাজীর্ণ ভবনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।










