মঠবাড়িয়ার স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলার কারাগারে দেলোয়ার মাষ্টার
- আপডেট সময় : ০৩:০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫ ৬০ বার পড়া হয়েছে
বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার হোগলা পাশা গ্রামের আফজাল হাওলাদারের স্ত্রী কুলসুম বেগম বাদী হয়ে ২৪ সালের ২৭ অক্টোবর মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি জালিয়াতি মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার মঠবাড়িয়া উপজেলাধীন ১ নম্বর তুষখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশের স্বাক্ষর জাল করে, তাদের নামে ভুয়া সিল বানিয়ে ব্যবহার করে একটি জাল ওয়ারিশ সনদপত্র বানিয়ে বাদীর ৬০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন।
এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন কাজের কথা বলে বাদীর নিকট হতে লক্ষ, লক্ষ টাকা হাতিয়ে থাকেন। একপর্যায়ে টাকা না দিলে বাদীসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করান বলে ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে পূর্বে আদালত কর্তৃক সমনজারি হলেও তাতে হাজির হননি দেলোয়ার। রবিবার (২০ জুলাই) পিরোজপুর জেলা দায়রা জজ আদালতে জামিনের জন্য হাজির হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠান।
এদিকে ২৪ মার্চ, উপজেলার জরিপেরচর গ্রামের জনসাধারণ দেলোয়ারের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের পূর্বে তার ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপ, মামলাবাণিজ্য পরবর্তীতে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন। ২৬ মার্চ তাকে তালতলা বাজার বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার পূর্বক ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে জেল হাজতে পাঠায় মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। দুইমাস আগে তিনি হাজত থেকে জামিনে মুক্ত হন।
আরো জানা যায়,মঠবাড়িয়ায় দেলোয়ার হোসেন উপজেলার জরিপেরচর গ্রামের ফজলুল হক মিস্ত্রির পুত্র ও সোনাখালি আব্দুল কাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
সম্প্রতি তিনি নানা কারণে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক বরখাস্ত অবস্থায় আছেন।
আওয়ামী শাসনামলে তিনি মঠবাড়ীয়ার পূর্ব রাজপাড়া গ্রামে মুজিব শতবর্ষ মেমোরিয়াল কলেজ সহ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের নামে স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কথায় কথায় নিরীহ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিয়ে এলাকায় তিনি মামলাবাজ দেলোয়ার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন










