মঠবাড়িয়া ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মঠবাড়িয়ায় শুরু হলো সাপ্তাহিক পাঠ চক্রের আসর “পাঠ চত্ত্বর” মঠবাড়িয়ায় হ*ত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মিড-ডে মিলে মেয়াদোত্তীর্ণ বনরুটি দেওয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান সাময়িক বরখাস্ত মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, আনসার সিপাহির সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ মঠবাড়িয়ায় কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে পিরোজপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক মঠবাড়িয়া সার্কেল ও মঠবাড়িয়া থানা পরিদর্শন। মঠবাড়িয়ায় ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আগামীর বরিশাল নিয়ে সংসদ ভবনে রুহুল আমিন দুলালের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মঠবাড়িয়ার ১০৭ পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র পুনর্বহালে এমপি রুহুল আমীন দুলালের উদ্যোগ

মঠবাড়িয়া পৌরসভায় দুর্নীতির মাস্টার ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেক

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভার অনিয়ম ও দুর্নীতির মাস্টার ছিলেন সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেক। বর্তমানে তিনি গৌরনদী পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। বরিশাল শহরে বহুতল ভবনের পাশাপাশি নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ।

মঠবাড়িয়া পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেকের অনিয়মের কারনে এটি সম্পূর্ণভাবে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝতেন না ওই কর্মকর্তা। আর এ টাকার একটি অংশ ভাগ পেতেন ওই সময়ের পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস। দুর্নীতির মাধ্যমে তারও রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদ।

পৌরসভার পানি প্রকল্পের ৫১ কোটি টাকার ২০ কোটি টাকাই আত্মসাৎ করেন তারা। ছাড় দেননি মোটরসাইকেল কেনার ক্ষেত্রেও।জাপান অথবা ইন্ডিয়ান কোম্পানির মোটর সাইকেল কেনার কথা থাকলেও কিনেছেন চায়না কোম্পানীর নিম্নমানের মোটরসাইকেল। যার ৩টি এখনও দৃশ্যমান রয়েছে। পৌরসভায় জরুরী ভিত্তিতে পানি সরবরাহের জন্য পানি প্রকল্পের টাকা দিয়ে পানির ট্যাংক লরি কেনার কথা থাকলেও আদৌ তা ক্রয় করা হয় নি। পৌরসভার সাড়ে ৩ হাজার গ্রাহককে পানি প্রকল্পের অর্থায়নে পানির মিটার দেওয়ার কথা থাকলেও প্রত্যোকটি মিটার থেকে গড়ে ৬ হাজার করে টাকা নিয়েছেন তারা। পানি প্রকল্পের এমএস পাইপ ক্রয়সহ অন্যান্য অনিয়ম প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে পৌরবাসী ইতোমধ্যে অবগত হয়েছে।

এ ব্যাপারে আব্দুস ছালেক এবং রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম জানান, পৌরসভার কয়েকটি অনিয়ম খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে। প্রতিবেদন পেয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মঠবাড়িয়া পৌরসভায় দুর্নীতির মাস্টার ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেক

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভার অনিয়ম ও দুর্নীতির মাস্টার ছিলেন সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেক। বর্তমানে তিনি গৌরনদী পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। বরিশাল শহরে বহুতল ভবনের পাশাপাশি নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ।

মঠবাড়িয়া পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছালেকের অনিয়মের কারনে এটি সম্পূর্ণভাবে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝতেন না ওই কর্মকর্তা। আর এ টাকার একটি অংশ ভাগ পেতেন ওই সময়ের পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস। দুর্নীতির মাধ্যমে তারও রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদ।

পৌরসভার পানি প্রকল্পের ৫১ কোটি টাকার ২০ কোটি টাকাই আত্মসাৎ করেন তারা। ছাড় দেননি মোটরসাইকেল কেনার ক্ষেত্রেও।জাপান অথবা ইন্ডিয়ান কোম্পানির মোটর সাইকেল কেনার কথা থাকলেও কিনেছেন চায়না কোম্পানীর নিম্নমানের মোটরসাইকেল। যার ৩টি এখনও দৃশ্যমান রয়েছে। পৌরসভায় জরুরী ভিত্তিতে পানি সরবরাহের জন্য পানি প্রকল্পের টাকা দিয়ে পানির ট্যাংক লরি কেনার কথা থাকলেও আদৌ তা ক্রয় করা হয় নি। পৌরসভার সাড়ে ৩ হাজার গ্রাহককে পানি প্রকল্পের অর্থায়নে পানির মিটার দেওয়ার কথা থাকলেও প্রত্যোকটি মিটার থেকে গড়ে ৬ হাজার করে টাকা নিয়েছেন তারা। পানি প্রকল্পের এমএস পাইপ ক্রয়সহ অন্যান্য অনিয়ম প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে পৌরবাসী ইতোমধ্যে অবগত হয়েছে।

এ ব্যাপারে আব্দুস ছালেক এবং রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম জানান, পৌরসভার কয়েকটি অনিয়ম খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে। প্রতিবেদন পেয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।